বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কলেজের নতুন ভবন ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিবাদ সমাবেশে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ শতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহজাহান আলী।
এসময় বক্তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের স্থপতি উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার অর্থ হলো বাঙালি জাতির চেতনা ও লাল সবুজের পতাকায় আঘাত করা। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে হামলাকারীদের স্বাধীনতা বিরোধী আখ্যায়িত করে বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল তারা আজও এদেশকে মেনে নিতে পারেনি। তারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না বলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে আঘাত হানতে তাদের হাতও কাঁপে না।
সমাবেশে বক্তারা দেশ বিরোধী অপশক্তিকে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, কোন অপশক্তি যদি ভবিষ্যতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনরকম ষড়যন্ত্রেও চেষ্টা করে তাহলে শিক্ষক সমাজ শুধু প্রতিবাদ সমাবেশে নয় বরং লাগাতার আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রতিহত করবে। পাশাপাশি তারা বঙ্গবন্ধুর নামে অপপ্রচার ঠেকাতে ‘ফেসবুক’ এবং ‘ইউটিউব’সহ সব ধরনের সামাজিক যোযোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।
সভাপতির বক্তৃতায় অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহজাহান আলী বলেন, ‘আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়তায় যখন স্বপ্নের পদ্মাসেতু বাস্তবায়িত হয়েছে তখন কুচক্রীরা নতুন ষড়যন্ত্রের ছক আঁকছে। তবে তাদের এধরনের কোন ষড়যন্ত্র শিক্ষক সমাজ মেনে নিবে না এবং তারা চুপ করে বসেও থাকবেনা। ’
প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রফেসর শামীমা সুলতানা, আব্দুল হাই, সহযোগী অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, শফি মাহমুদ ও প্রভাষক ইব্রাহিম হোসেন।