মাইশা গ্রুপের করা রিট খারিজ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা নেই

বিআইডব্লিউটিএ’র উচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করে মাইশা গ্রুপের করা রিট খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। আজ বুধবার বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর বেঞ্চ এ রায় দেন।

বুড়িগঙ্গার তীর থেকে সংসদ সদস্য আসলামুল হকের তিনটি প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদে আর কোনো বাধা থাকলো না।

ঢাকার চার নদী রক্ষায় ২০০৯ সালে রিট করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। শুনানি শেষে হাইকোর্ট নদী রক্ষায় ৯ দফা নির্দেশনা দেন। সীমানা জরিপ করে পিলার বসানো ও নদীর তীর দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন আদালত।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এ বছর সংসদ সদস্য আসলামুল হকের মাইশা গ্রুপের তিনটি প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদে যায় বিআইডব্লিউটিএ। তখন বাধা দেয় সাংসদের লোকজন এবং অক্টোবরে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। ২২ অক্টোবর ওই রিটে রুল দেন আদালত। একইসাথে এক মাসের মধ্যে নদী কমিশনকে বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

নদী কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাইশা গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠান বুড়িগঙ্গার ১২ দশমিক ৭৮ একর এবং ফোরশোর সাত দশমিক ৯২ একর জায়গা দখল করেছে। এছাড়া, ড্যাপের ৩০ একরের মত জায়গায় মাটি ভরাট করে জলাশয় ও নদীর প্রবাহে বাধা তৈরি করেছে। হাইকোর্ট ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে রুল খারিজ করে দিয়েছে।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন আসলামুল হকের আইনজীবী।

নদী কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসলামুল হকের প্রাইভেট ইকোনমিক জোন পূর্ণাঙ্গভাবে স্থাপিত হলে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগের জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এমনকি নৌ-চলাচলের পথও সরু হবে। তাই মায়িশা পাওয়ার প্ল্যান্ট ও আরিশা প্রাইভেট ইকোনমিক জোনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে হবে।

 

বার্তা বাজার/এএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর