ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের চর শেখর ও দূর্গাপুর গ্রামে গত শনিবার ও রোববার দুই’পক্ষের মধ্যে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বোয়ালমারী থানায় পৃথক দু’টি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আরো দু’টি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মামলায় বোয়ালমারী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত সিদ্দিকসহ দুই জনকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে আসামিদের ফরিদপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলার বাদি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও শেখর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রইসুল ইসলাম পলাশের ভাই শিয়াবুল ইসলাম শিমুল (৪২)। সোমবার রাতে মামলাটি থানায় নথিভুক্ত করা হয়। মামলা নং-৬/২৭০। এ মামলায় ফরিদপুর জেলা পরিষদ সদস্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও শেখর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় ৩১জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আইনে বাধা দেওয়া ও পুলিশের ওপর আক্রমনের ঘটনায় অপর মামলাটি করেন বোয়ালমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন ইসলাম। মামলা নং-৪/২৬৮। এ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ, বিএনপি নেতা রইসুল ইসলাম পলাশসহ ৩৪ জনের নাম করে আরো ১৪০/১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আরো দুটি মামলা তদন্তধীন রয়েছে।
শিমুলের মামলায় আবুল কালাম আজাদের ভাতিজা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত সিদ্দিক এবং পুলিশের ওপর আক্রমনের মামলায় আরো একজন গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে ছাত্রলীগ নেতা প্রান্ত সিদ্দিকের গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার মুক্তি দাবী করেছে ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
বোয়ালমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল খায়ের মিয়া বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। আবুল কালাম আজাদ গ্রুপ এবং রইসুল ইসলাম পলাশ গ্রুপের আরো দুটি অভিযোগ পেয়েছি। সে দুটি অভিযোগ তদন্তধীন রয়েছে।
বার্তাবাজার/এ.আর
বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।