শেরপুরের ঝি’নাইগাতী উপজেলার সুরিহারা গ্রামে মো. আবদুল বাসেদ বা’ল্য’বি’বাহ নি’ব’ন্ধন করে অ’ন্যা’য় করেছেন, আর বা’ল্য’বি’বাহ নি’ব’ন্ধ’ন করবেন না—এমন ভাবনা মনে এসেছে।
মো. আবদুল বাসেদ কাজি হিসেবে নি’বন্ধন ছাড়া বা’ল্য’বিবা’হের আয়োজনে অংশ নিয়ে এক মাস সাজাভোগ করেছেন। এখন সে নিজের অ’ন্যা’য়ের কথা স্বী’কার করে এবং ভ’বি’ষ্যতে আর এমন অ’ন্যায় কাজ করবেন না অ’ঙ্গীকার করে এলাকায় মা’ইকিং করছেন।
গতকাল সোমবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ঝি’নাইগাতীর সদর ও আশপাশের এলাকায় তিনি মা’ইকিং করেন।
উ’পজেলা প্র’শাসন সূ’ত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আবদুল বাসেদ ঝি’নাইগাতীতে কাজি পরিচয় দিয়ে বিয়ে নি’বন্ধন করে আসছিলেন। কিন্তু কাজি হিসেবে আব্দুল বাসেদের কোনো নি’বন্ধন ছিল না। বিষয়টি প্র’শাসনের নজরে এলে উপজেলা নি’র্বাহী কর্মকর্তা (ই’উএনও) ও নির্বাহী ম্যা’েজি’স্ট্রেট রুবেল মাহমুদ ভ্রা’ম্য’মাণ আ’দালত পরিচালনা করে বা’ল্য’বি’বাহ নি’ব’ন্ধ’নের দায়ে তাঁকে এক মাসের বি’নাশ্র’ম কা’রা’দণ্ড দেন। ই’তিম’ধ্যে তাঁর সেই সাজাভোগ শেষ হয়েছে।
আবদুল বাসেদের ভাষ্য, এক মাস সা’জাভোগ শেষে তাঁর মনে অ’নুশোচনা এসেছে। তাই এখন ইজিবাইকে চড়ে বাসেদ ঝি’নাইগাতী উ’পজেলার বি’ভিন্ন এলাকায় নিজেই মা’ইকিং করে বলছেন, ‘আমি যা করেছি অ’ন্যায় করেছি। আমি অ’ঙ্গীকার করছি, ভবিষ্যতে আমি কোনো বা’ল্য’বি’বাহ নি’ব’ন্ধন করব না। অ’নৈতিক কোনো কাজ করব না।’ নিজের কৃ’তক’র্মের জন্য এলাকার মানুষের কাছে ক্ষ’মাও চাইছেন তিনি।
ঝি’নাইগাতীর ইউএনও রুবেল মাহমুদ বলেন, ব্য’ক্তিগত অ’নুশোচনা থেকে আবদুল বাসেদ আ’ইনপরি’পন্থী কাজ না করার অ’ঙ্গীকার করেছেন। এটি ই’তিবাচক। এর মা’ধ্যমে অ’ন্য ভুয়া কাজিরাও স’চেতন হবেন বলে আশা করেন তিনি।
বার্তাবাজার/কে.কে