আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র আমি হোসেন আমু ও তার মেয়ে সুমাইয়া হোসেনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটুক্তি করায় গ্রেফতার করা হয়েছে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মো. রাব্বীকে।
রোববার রাতে শহরের সাধনার মোড় থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলার বরাতে ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান জানান, ছাত্রলীগে নেতা রাব্বী নিজের ফেসবুক আইডি ও ম্যাসেঞ্জার থেকে ঝালকাঠি-২ আসনের সাংসদ আমির হোসেন আমু ও তার মেয়ে সুমাইয়া হোসেনকে নিয়ে গত ৫ ডিসেম্বর রাতে
আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে জনসমক্ষে প্রচার করে।
বিষয়টি সম্পর্কে সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান সোনালী জানতে পেরে মামলার বাদী ও সাক্ষীগণকে জানান।
পরে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আ স ম মোস্তাফিজুর রহমান মনু রোববার রাতে ঝালকাঠি থানায় এজাহার দায়ের করেন।
মামলা রেকর্ডের পর রোববার রাত ৯টার দিকে সাধনার মোড় থেকে রাব্বীকে গ্রেফতার করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হযরত আলী।
সোমবার দুপুর ১২টায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে শেখ রাব্বীকে আদালতে সোপর্দ করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
বিকাল ৩টায় শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম ইমরানুর রহমান মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে রাব্বীকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
তবে রাব্বীর পরিবারের দাবি- কেউ তার ছবি ও নাম ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি খুলে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। এ বিষয়ে থানায় জিডি করতে গেলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে পুলিশ তাকে আটক করে।
বার্তাবাজার/এসজে