প্রবাসী নাজিম থেকে জনপ্রতিনিধি নাজিম

মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, জন্ম ১৯৬৭ সালে। চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর পাটিয়ার পাড়া গ্রামে। পিতা মরহুম বাদশা মিয়ার দু’সংসারের বড় ছেলে নাজিম। পড়াশোনায় অত্যান্ত মেধাবী নাজিম কলেজ জীবন শেষ করে পরিবারের হাল ধরতে পাড়ি জমান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব।

প্রথমবার গিয়ে বেশিদিন স্থায়ী হতে পারেনি। ফিরতে হয় দেশে। দ্বিতীয়বার ব্যর্থ হলেও তৃতীয়বারে ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে অবস্থান করেন। তিনি সেখানে গড়ে তুলেন নিজস্ব ব্যাবসা প্রতিষ্টান। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে ব্যাবসার পরিধি। ব্যাবসার পাশাপাশি যুক্ত হোন প্রবাসীদের কল্যাণে গঠিত লেহাগাড়া প্রবাসী সমিতির সঙ্গে।

প্রবাসী নাজিম ছিলেন অসাধারণ একজন মানুষ। বাবার মত মিষ্টি ভাষী হওয়ায় সাধারণ মানুষের নজর কাড়েন। একই সময়ে তিনি একজন সমাজকর্মী হিসাবে এলাকার নানা সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। এখানে তার সেবামূলক নানা কর্মকান্ড তাকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়। ছুটিতে যখন তিনি দেশে থাকতেন তার এসব কর্মকান্ড আর বহুগুণে বেড়ে যেত। তার এসব কর্মকন্ড আর বহুগুণে গুণান্বিত হওয়ায় এলাকার মানুষ তাকেই নিজেদের সেবক হিসাবে বেছে নিতে অস্থির হয়ে ওঠেন। এর ফল হিসাবে তাকে মানুষ দাঁড় করিয়ে দেন আধুনগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে।

গত, ২০শে অক্টোবর লোহাগাড়া উপজেলার মেয়াদোত্তীর্ণ তিন ইউপি নির্বাচনে আধুনগর ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ মোট পাঁচজন হেভিওয়েট প্রার্থী অংশ নেয়। নতুন ভোটার এবং যুবকদের মন জয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীনের চমকপ্রদ ইশতেহার। পিত মরহুম বাদশা মিয়ার সু-খ্যাতি মানুষে নজর কাড়েন। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন বিপুল ভোটে ওই নির্বাচনে বিজয়ী হন।

বার্তাবাজার/আবির

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর