প্রকল্প পরিচালক জানান, চীন থেকে তৈরি করে আনা ধাতবদ্রব্যের ভাস্কর্যটি হবে আইকনিক ও দৃষ্টিনন্দন।ব্রিটিশ আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে হাতেখড়ি।চোখে পড়বে দূর থেকেও। পাকিস্তান আমলে সেই সংগ্রামী জীবন কেবল জনতার ভরসাস্থলই হয়ে ওঠেনি, ইতিহাসের পুনঃনির্মাণও করেছে।
জাতির জনকের একটি ভাস্কর্য স্থাপনকে কেন্দ্র করে কয়েক সপ্তাহ ধরেই দেশজুড়ে চলছে উত্তেজনা। ভাস্কর্যকে ইসলামবিরোধী অভিহিত করে তা ভেঙে ফেলার হুমকি দিয়েছে হেফাজতে ইসলামসহ গোঁড়াপন্থীরা। প্রতিবাদ-প্রতিরোধে রাজপথে রয়েছে আওয়ামী লীগ।
রাজাধানীর ধোলাইপাড় মোড়ে উঁচু গোলাকার এই মঞ্চেই বসানো হবে ভাস্কর্যটি। জায়গাটি চারিদিক থেকে উঁচু স্থাপনা দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর যে ভাস্কর্য ঘিরে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি, সেই ভাস্কর্য স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে।তবে খুব বেশি তথ্য দিতে রাজি হয়নি ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অংশ ভাস্কর্যটি সম্পর্কে।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান বলেন, ‘ধারণাটা এ দেশেরই তবে, তৈরী হয়েছে চীনে। মেটালের তৈরী এ ভাস্কর্যটি নিখুঁতভাবে তৈরী কারার মতো যে ডাইস, সে ডাইসটা হয়তো আমাদের এখানে নাই। সে কারণেই চায়না থেকে এটা তৈরী করা হচ্ছে। এটা বিশেষভাবে তৈরী ভাস্কর্য, উন্মুক্ত করার পরেই এটা দৃশ্যমান হবে। এটি এ মুহুর্তে বলা যাচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ভাস্কর্যটি তৈরি করতে নয় কোটি টাকা খরচ হয়েছে। চীন থেকে ইতিমধ্যেই ভাস্কর্যটি দেশে পৌঁছানোর পর ধোলাইপাড় মোড়ে এটি স্থাপন করার কাজ প্রায় শেষের পথে।।
প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান আরও বলেন, ‘অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। শুধুমাত্র এটার এ্যাসেম্বলিংটা এখানে হবে। ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এটা শেষ হবে বলে আশা করছি।’
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
বার্তাবাজার/আবির