ডাকবাংলো নয় যেন পাবলিক টয়লেট
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানাধীন ডাকবাংলোটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভবনের চার পাশ ঝোপঝাড়-জঙ্গল বিষাক্ত পোকামাকড়ে ভরে গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের বাহিরে প্রাচীর রয়েছে আর ভিতরে পচা দুর্গন্ধ ময়লা-আবর্জনা ও ফেন্সিডিলের বোতল পড়ে আছে। হঠাৎ যে কারও দেখে মনে হবে ডাকবাংলো নয় যেন গনশৌচাগার ও মাদকসেবীদের ব্যবসায়িক কেন্দ্র। অযত্নে অবহেলায় ভবনের চারপাশে ঝোপঝাড়-জঙ্গলে ছেয়ে গেছে। সংস্কারের অভাব ও বৃষ্টির পানিতে ভবনের দেয়াল ও প্রাচীর নষ্ট হয়ে গেছে। হাত দিলেই যেন পলেস্তারা খসে পড়ার অবস্থা। আর একটি সাইনবোর্ড থাকলেও সেখানে সবকিছু অস্পষ্ট। বোঝার কোন উপায় নেই যে এটি একটি সরকারি ভবন।
তবে ডাকবাংলোটির দেখা শোনার জন্য আসরাফুল নামে একব্যাক্তি দায়িত্বে থাকলেও অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি। দায়িত্ব পালনের অবহেলারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
নাম না প্রকাশের শর্তে অনেকেই বলেন, বাহিরের যে অবস্থা ভেতরে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেহাল দশা। প্রতিদিন রাতে একটি প্রভাবশালী মহল এখানে মাদক ও জুয়ার আড্ডা বসায়। আর ঝোপঝাড়-জঙ্গলে ঢেকে গেছে পুরো ভবন। বিষাক্ত পোকামাকড়ের ভয়ে বাইরে থেকে আসা অথিতিরা থাকতে চাননা। তাই এভাবেই কয়েকবছর ধরে পরে আছে।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: মনিরুল হক বাবু বলেন, রুহিয়া ডাকবাংলোটি বসবাসের অনুপযোগী। চারপাশ ঝোপঝাড়-জঙ্গলে ছেয়ে গেছে। আর বিভিন্ন বিষাক্ত পোকামাকড়ও দেখা যায়। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ভবন নষ্ট হয়ে গেছে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা হতে পারে।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রুহিয়া ডাকবাংলোটির বিষয়ে আমার জানা নেই। এই প্রথম শুনলাম। তবে আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো।
বার্তাবাজার/এম.এ.আর