আসন্ন ১০ ডিসেম্বর শেরপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মাঝে কোন নির্বাচনী আমেজ লক্ষ করা যাচ্ছেনা। গ্রামে গ্রামে নেই কোন প্রাচরণা। তাইতো কোন প্রার্থীর কোন প্রতীক এটাই জানেন না গ্রামের সাধারণ মানুষ। রাজনীতি করা কিছু ব্যাক্তি জানলেও তা প্রচার করছেনা বাড়ি বাড়ি।
জানা যায়, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পাশ করা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা বেগম মৃত্যু বরণ করার পর উপ-নির্বাচনে তফশিল ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশন।
এতে আগামী ১০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহনের দির ধার্য করা হয়। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন বিএনপি মনোনীত নাসরিন আকতার পুটি (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজনীন পারভীন পলি (পদ্মফুল), ফিরোজা বেগম (ফুটবল) ও শিল্পী বেগম (কলস)প্রতীক নিয়ে।
নির্বাচনের আর ৪ দিন সময় থাকলেও প্রচারণার দিন রয়েছে মাত্র ৩ দিন। অথচ গ্রামের সাধারণ মানুষগুলো এখনো জানেন না যে কার কোন প্রতীক। এমনকি কেউ তাদের কাছে ভোটও চাননি।
খানপুর ইউনিয়নের বোয়ালকান্দি, নলবাড়িয়া, শালফার একাংশ, সুঘাট ইউনিয়নের চক কল্যানী, জোরগাছা, বেলগাছি, হরিনাথপুর এলাকার মানুষের কাছে ভোটের কথা জানতে চাইলে তারা জানান, এখন আবার কিসের ভোট। আমরা কি ভোট দিতে পারবো? তাছাড়া কাকে ভোট দিব এটাইতো এখনো জানিনা। কোন প্রার্থী বা তাদের লোকজন আমাদের কিছুই বলেনি। যারা রাজনীতি করে তারাও আমাদের কিছু বলেনি। তাই ভোটের কথা বলতে পারব না।
খোজ নিয়ে আরো জানা যায়, পুরুষ মানুষেরা হাটে বাজারে চলাফেরা করে তাই অন্যের মুখ থেকে কিছু শুনতে পারে। কিন্তু মহিলারা কিছুই জানেন না। তাই গ্রামের মানুষদের মাঝে নির্বাচনী কোন আমেজ নেই। এছাড়াও আওয়ামীলীগ মনোনীত কোন প্রার্থী না থাকায় প্রচার প্রচারণা কম।
বার্তাবাজার/এম.এ.আর