কক্সবাজারগামী বাসে যাত্রীবেশে দূর্ধর্ষ ডাকাতি, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৭

যাত্রীবেশী ডাকাত দল একটি সৌদিয়া পরিবহন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে ফিল্মি কায়দায় দূর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত করেছে। এঘটনায় দুই বাস যাত্রী গুলি বিদ্ধ হয়েছে। আহত হয়েছে আন্তত ১৫ জন। আশংকা জনক অবস্থায় গুলিবিদ্ধ একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া ফাঁসিয়াখালী পাহাড়ি ঢালায় এই ঘটনা সংঘটিত হয়। এসময় বাসে ৭ জন ডাকাত ছাড়াও ৩৭ জন নারী ও পুরুষ যাত্রী ছিলেন।

গুলিবিদ্ধরা হলেন, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের পানছড়ি পাড়া এলাকার এজাহার মিয়ার ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন (২৭) ও রাকিব উদ্দিন (৩০)।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বাস যাত্রীদের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে ছেড়ে আসা সৌদিয়া পরিবহনটি নতুন ব্রীজ এলাকার পৌছালে ৭ জন যাত্রী বাসে উঠে। বাস্টি ভোর সাড়ে ৩টার দিকে চকরিয়া ফাঁসিয়া খালী ঢালায় পৌছালে হঠাৎ অস্ত্রধারী ৭জন ডাকাত বাস চালকে জিম্মি করে বাসটি তাদের নিয়ন্ত্রনে নেয়। এসময় ডাকাত দল এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে যাত্রীদের মাঝে আতংক সৃষ্টি করে। এসময় যাত্রীদের কাছে স্বর্ণ লংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

ডাকাতের ছুঁড়া গুলিতে মামুন নামের এক যুবকের পেটে ও রাকিব উদ্দিনের হাতে গুলি বিদ্ধ হয়। এছাড়াও অন্তত ১৫ জন যাত্রী মারধরের শিকার হয়ে বিভিন্ন ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়। গুলি বিদ্ধদের উদ্ধার করে রামু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। মামুনের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল সূত্র।

চকরিয়া থানার ওসি শাকের মুহাম্মদ জুবায়ের বার্তা বাজারকে জানান, এঘটনায় ভূক্তভোগী যাত্রী যাহাপুর, কুমিল্লা মুরাদ নগর এলাকার মন্নু খানের ছেলে বিল্লাল হোসেন জনি (২৬) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার শিকার বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং ঘটনার সময় বাসে দায়িত্বরত ৩ জন ষ্টাফকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

বার্তাবাজার/অমি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর