চট্টগ্রামে নকল মাস্কের সয়লাব, আতঙ্কে নগরবাসী

চট্টগ্রামে করোনার দ্বিতীয় ধাপের প্রাদুর্ভাবে মানহীন ও নকল মাস্ক বিক্রির হিড়িক পড়েছে। যত্রতত্র গড়ে উঠেছে মাস্ক তৈরির কারখানা।

রোববার (২২ নভেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় ফুটপাতে ভ্যান গাড়ি হতে শুরু করে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে মানহীন ও নকল মাস্ক সহ স্যানিটাইজার সামগ্রী।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পর বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কারখানা খুলে মানহীন মাস্ক উৎপাদন করে নগরীর রেয়াজউদ্দিন বাজার সহ বিভিন্ন পাইকারি বাজারে ঢাকা থেকে এনে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জনগণকে ঠকাচ্ছে। আবার কেহ কেহ বিদেশ থেকে আমদানি করেছে বলেছেন। সেই সাথে চাহিদা বেশি হওয়ায় নেওয়া হচ্ছে বাড়তি দাম। প্রতি বাক্স মাস্ক ৫৫ টাকার পরিবর্তে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। যা আদৌ মানসম্পন্ন ও গুণগত কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই।

আব্দুল করিম নামে এক ভুক্তভোগী জানান, ‘সার্জিক্যাল মাস্ক কিনলাম ১২০ টাকায়। কিন্তু এ মাস্ক করোনা সংক্রমণ রোধে কার্যকর হবে কিনা জানি না। একই বক্সে ৪ বার পরিবর্তন করে আশানুরূপ মাস্ক পেলাম। কেউ বলছে, তাদের মাস্ক ঢাকা থেকে আনা হয়েছে। আর কেউ বলছে, বাইরে থেকে আমদানি করেছে। কিন্তু মাস্কের গুণগত মান দেখে মনে হচ্ছে না এসব মাস্ক করোনা ঠেকাতে পারবে। তাই প্রশাসনের উচিত এ ব্যপারে তদারকি করা। মাস্ক না পড়ার দরুন সাধারণ মানুষদের শুধু জরিমানা করলে হবে না। বাজারে নকল মাস্ক যারা বিক্রি করছে তাদের দোকানেও অভিযান পরিচালনা করা দরকার।’

এ বিষয়ে ক্যাব’র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেন বলেন, ‘নামহীন নকল মাস্কে বাজার ভর্তি আছে। মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যাপারে নীতিমালা করার কথা থাকলেও তা এখনও হয়নি। স্যানিটাইজারের নীতিমালা প্রণয়ন করবে ঔষধ প্রশাসন ও মাস্কের ব্যপারটা দেখবে বিএসটিআই।’

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘করোনা সংক্রমণে বাজারের মাস্কগুলো কতটুকু কার্যকর হবে তা আমরা বিশেষজ্ঞদের সাথে সমন্বয় করে দেখবো। সেই সাথে নকল মাস্ক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বার্তাবাজার/অমি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর