দেশে দেড় লাখ ফার্মেসির নেই নিবন্ধন
প্রভাবশালীদের দাপটে ক্লিনিক-হাসপাতালের পর জীবন বাঁচানোর দোকান হিসাবে পরিচিত ফার্মেসীতেও চলছে লাইসেন্স না নিয়ে ব্যবসা করার হিড়িক। সারাদেশে প্রায় দেড় লাখ ওষুধের দোকানের লাইসেন্স নেই। এর মধ্যে ৫০ হাজারের মান খুবই নিম্ন। আবার করোনাকালের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নতুন করে গড়ে ওঠেছে অসংখ্য দোকান। যাদের লাইসেন্স নেই বেশিরভাগেরই।
একইসাথে তদারকি না থাকায় ভেজাল ও মানহীন ওষুধ দেদারছে বিক্রি হচ্ছে এসব দোকানে। নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা, ওষুধ কোম্পানিগুলোর অতি ব্যবসায়িক মনোভাব এবং জনসাধারণের অসচেতনতার কারণেই অবৈধ দোকানগুলো ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছে।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, আমি ইতোমধ্যে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরকে নির্দেশ দিয়েছি, দেশের সব ওষুধের দোকান একটি শৃঙ্খলায় নিয়ে আসতে। যেসব দোকানের লাইসেন্স রিনিউ করা নেই, তাদের সময় দেয়া হবে। যারা লাইসেন্স ছাড়া চলছে কিন্তু দোকানের মান ভালো তাদের লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে।
ওষুধ প্রাশসন অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, সারাদেশে বর্তমানে বৈধ ওষুধের দোকান আছে ১ লাখ ৫১ হাজার। যার মধ্যে গত দুই বছরে নিবন্ধন পেয়েছে ৩২ হাজার ৫৩৫টি। তবে নিবন্ধনহীন কতগুলো আছে তার কোনো হিসাব তাদের কাছে নেই।
বার্তাবাজার/এসজে