যেভাবে ধরা পড়ল সোহরাওয়ার্দীর মর্গে নারী মৃতদেহের ধর্ষক মুন্না

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে মৃত নারীদেহকে ধর্ষণের বিকৃত অপরাধী মুন্না ভগতকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

পুলিশের এই বিশেষ সংস্থা জানায়, মর্গের ডোম জতন কুমার লালের সাথে তার ভাগ্নে মুন্না সহকারী হিসাবে কাজ করতো। বিগত দুই-তিন বছর ধরে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে আনা মৃতদেহকে সে ধর্ষণ করে আসছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।

সিআইডি জানায়, ডিএনএ টেস্ট করে দেখা যায় অনেক তরুণীর দেহে একই ব্যক্তির শুক্রাণু। এমনকি আত্মহত্যার ঘটনায় উদ্ধার তরুণীর মৃতদেহেও শুক্রাণু পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় সন্দেহ হয় সংশ্লিষ্টদের। তারপর শুরু হয় তদন্ত। পাওয়া মর্গের মৃতদেহগুলোতে একই ব্যক্তির শুক্রাণু।

গভীরভাবে তদন্ত করে পাওয়া যায় চোখ কপালে ওঠার মতন তথ্য। মর্গের একজন ডোম দিনের পর দিন এই জঘন্যতম কাজ করে আসছিল। এখন পর্যন্ত অন্তত ৭ নারীর দেহে পাওয়া গিয়েছে ওই ডোমের শুক্রাণু।

এ বিষয়ে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার জানান, এই কাজ অত্যন্ত জঘন্যতম ও বিব্রতকর। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতার পরেই ওই যুবককে আটক করেছে সিআইডি। বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর