ঢাকার কেরানীগঞ্জে র্যাবের সোর্স আলমগীর হত্যা মামলার দুই আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। গত ১৪ এবং ১৫ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের গোলামবাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরাটি জব্দ করেছে পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছে আসামিরা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাদ্দাম জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত্র অনুমান সাড়ে ১২ টার সময় কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন পূর্ব চড়াইল এলাকার জনৈক আবু সাঈদ এর রিক্সার গ্যারেজের পূর্ব পাশের বালুর মাঠে অজ্ঞাতনামা আসামিরা র্যাবের সোর্স আলমগীর হোসেনকে ছুরিকাঘাতে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
এই বিষয়ে নিহত আলমগীরের ছোট ভাই জুয়েল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে গত ২৯ সেপ্টেম্বর একটি মামলা দায়ের করে যার নাম্বার ৩৯। মামলার তদন্তে খুনের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে একপর্যায়ে ঘটনার সাথে জড়িত আসামি ১। মো. লিটন ওরফে কাউয়া লিটন (৩২), পিতা- সেলিম বাবুর্চি এবং ২। সবর আলী (৩০), পিতা- আব্দুল হান্নান ওরফে সাহিদ মিয়াকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে গ্রেপ্তারকৃত উভয় আসামি হত্যার বিষয়ে দোষ স্বীকার করে ফে: কা: বি: ১৬৪ ধারা মতে জবানবন্দি প্রদান করে।
আসামিদের প্রদত্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মামলার মূল রহস্য উদঘাটিত হইয়াছে। মামলার ঘটনায় জড়িত অপরাপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জোর প্ৰয়েটা অব্যাহত আছে।
এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মইনুল ইসলাম বলেন, কেরানীগঞ্জ দেশের অন্যতম শিল্পাঞ্চলগুলোর একটি। সেই সূত্রে প্রচুর বাহিরের লোকের বসবাস উপজেলাটিতে। তাই অপরাধীদেরও পছন্দের জায়গা এটি। তবে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের সাড়াশি অভিযানে অপরাধীরা পরাস্ত হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই আটক হচ্ছে বিভিন্ন মামলার আসামিরা। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বার্তাবাজার/অমি