সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) আব্দুল কাদেরসহ সংশ্লিষ্টদের বিচারের দাবিতে মৌণ মিছিল ও পথসভা করেছে মেহেরপুরের সাংবাদিক সমাজ।
আজ সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১১ টার দিকে সাংবাদিকরা মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সামনে থেকে মৌণ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে আয়োজিত পথ সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র সাংবাদিক সমাজের মুখপাত্র রুহুল কুদ্দুস টিটো।
ডিবিসি প্রতিনিধি আবু আক্তার করণ ও বাংলাদেশ রয়টার্স প্রতিনিধি জাকির হোসেনকে মারধর ও ক্যামেরা ভাংচুরের প্রতিবাদে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা।
সমাজ সেবার ডিডি আব্দুল কাদের ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবীতে এ কর্মসুচি পালন করা হয়।
মেহেরপুরের সাংবাদিক সমাজ তাদের ব্যানারে সাংবাদিকরা সপ্তাহ ব্যাপি কর্মসূচির প্রথম দিনের এ কর্মসূচি পালন করেন।
মেহেরপুর সাংবাদিক সমাজের আহবায়ক ও সিনিয়র সাংবাদিক রুহুল কুদ্দুস টিটোর সভাপতিত্বে সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, নিউজটুয়েন্টিফোর টিভির প্রতিনিধি তুহিন আরণ্য, বিটিভির প্রতিনিধি আলামিন হোসেন, এসএ টিভির প্রতিনিধি ফজলুল হক মন্টু, ইত্তেফাক প্রতিনিধি মাহাবুব চান্দু, কালের কণ্ঠ প্রতিনিধি ইয়াদুল মোমিন, মাইটিভি প্রতিনিধি মাহবুব আলম, সাংবাদিক এম এন পাভেল, আতিক স্বপন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে আমরা ন্যায্য বিচার না পেলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।
আরো বলেন, ঘটনার দিন জেলা প্রশাসক সাংবাদিক নের্তৃবৃন্দদের নিয়ে তাঁর সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় করে দ্রুত এ ঘটনার বিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন। সে লক্ষ্যে একটি তদন্ত কমিটি করেছিলেন। কিন্তু ঘটনার আটদিন পার হলেও তদন্ত কমিটি কোন প্রতিবেদন দেননি।
এদিকে জেলা প্রশাসক কোনো কার্যকরী কোন ব্যবস্থা নেননি। আমরা বিচারের দাবীতে ৭দিনের কর্মসূচী দিয়েছি। তদন্ত খেলা করে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিতকারীকে বাঁচানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন জেলা প্রশাসক। তারা বলেন অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তার দূর্ণীতির তথ্য আমাদের কাছে আছে। অপেক্ষা করেন একটি একটি করে দূর্ণীতির সকল শিকড় তুলে ফেলা হবে।
বিচার না পেলে জেলা প্রশাসনসহ মেহেরপুরের সরকারি দপ্তরের সকল সংবাদ বর্জনের হুঁশিয়ারী দেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ৮ নভেম্বর মেহেরপুর সমাজ সেবা কার্যালয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের ও তার সহযোগীরা ডিবিসি প্রতিনিধি আবু আক্তার করণ ও বিডি রয়টার্স প্রতিনিধি জাকির হোসেনকে মারধর করেন এবং ক্যামেরা ভাংচুর করেন। এ ঘটনায় ওই দিনই মেহেরপুর সদর থানায় চার জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৮/৯ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
বার্তাবাজার/অমি