গত ১৩ নভেম্বর জাতীয় নিউজ পোর্টাল ‘বার্তা বাজার’ পত্রিকার প্রকাশিত ‘অদৃশ্য আয়ে কোটিপতি মফিজ’ শিরোনামে সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটিতে আমার সাথে আমার পরিবারকে জড়িয়ে যে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে সেটা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করি। প্রতিবেদক সংবাদটিতে মূল বিষয়টি এড়িয়ে ঢালাও ভাবে আমার পরিবারের বিরুদ্ধে তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
আমার বৃদ্ধ বাবা মাষ্টার ইসমাঈল হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের সর্বজন সম্মানিত একজন ব্যক্তি। তিনি ১০ বছর টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ বড় মাদ্রাসায় ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করে ছিলেন।
মূলত আমার পরিবারের বিষয়টি হচ্ছে, আমার ভাই শাহনেওয়াজের সাথে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকার জামাল মেম্বারের ভাই কামালের মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। সেই মেয়েটিকে আমার বাবা-মা শাহনেওয়াজের বঊ হিসেবে মেনেনিতে রাজি হলে তাদের সাথে আমাদের পারিবারিক ভাবে একটা বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের দিকে কামালের একটি ইয়াবার চালান নিয়ে চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ৩ জন আটক হয়।
আটক তিন জনের মধ্যে কামালের এক নিকট আত্মীয় নারী ছিলো। সেই সূত্র ধরে কামাল মেম্বারের মাদকের চালান আটকের ঘটনায় কৌশলে ওই নারীকে দিয়ে আমার বাবা-মার নাম জড়িয়ে দেয়। এই মিথ্যে মামলায় আমার বাবা মাকে পুলিশ আট করে। পরে আদালত আমার বাবা-মা ষড়যন্ত্রের শিকার তা বুঝতে পেরে তাদের জামিন মঞ্জুর করে।
এদিকে প্রতিবেদক আমার বাবা মাষ্টার ইসমাঈলকে ঢালাও ভাবে পারিবারিক ইয়াবা ব্যবসার হুতা বলে দাবী উপস্থাপন করে। যা আদৌ কোন ভাবে সত্য নয়। যা এলাকার লোকজন ভালো ভাবে জানে। তাই আমি এই সংবাদে প্রশাসন ও পাঠককে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
বার্তাবাজার/অমি