পাবনা রুপপুর থেকে কাজির হাট পর্যন্ত এই বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধ যেন এক মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধ এর বেহার অবস্থায় কারণে ভোগান্তিতে আছে চর অঞ্চলের মানুষ, রুপপুর থেকে শুরু করে কাজির হাট পযন্ত মুজিব বাঁধের এই অবস্থা। কোন ধরণের গাড়ি ঠিক ঠাক মতো চলাচল করতে পারছে না, একটু পর পর এ যেন পুকুর খনন করা।
বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধের দুপাশে হয়ে ওঠেছে জঙ্গল একটু আধায় নেমে আসলে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মোটরসাইকেল ও সাইকেল নেমে ঠেলে নেওয়া লাগে অনেক সময় দেখাযায় সিএনজি ও অটো রিকশা কে যাত্রী ঠেলা দিচ্ছে। বিকেল হলেই দেখা দিতো বঙ্গবন্ধু মুজিব বাধে বাইক রাইডার দের, পাকশী হার্ডিং ব্রিজ ও লালন শাহ্ সেতু দেখতে সবাই আসতো বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধ দিয়ে, এখন আর দেখা যায় না।চর গড় গড়ী আলহাজ্ব মোড় ডেলি কাঁচা বাজারে আছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন মানুষ।
কাঁচা মাল টানা ট্রাক মাল নিয়ে আসা যাওয়া করতো এই মুজিব বাঁধ দিয়ে, এখন অনেক ভোগান্তিতে আছে তারাও এই বাজারে কাঁচা মাল ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় যায়। এই বেহার অবস্থায় কারণে আসতে চায় না বড় বড় মাল টানা গাড়ি। বেপারি মাল কিনে আছে গাড়ির ভোগান্তিতে। বাঁধের সাথে মিশে আছে বাঁধের দুপাশে বসবাসকারী মানুষ এর পরিশ্রম।
বঙ্গবন্ধুর এক ডাকে যেমন যুদ্ধ করতে ঝেঁপে পড়েছিল, ঠিক স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর ডাক শুনে আবার বাঁধের কাজ করার কাজে নিয়জিত হয় বাঁধের দুপাশে বসবাস করা মানুষ।সেই কষ্টে গড়া বাঁধ এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বাঁধ পাকা রাস্তায় পরিনত হওয়ার অনেক উন্নত হয়ে ছিল বাঁধ অঞ্চল। এ কথা বলে চর গড় গড়ী অঞ্চলের মানুষ,। বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধে আছে কয়েকটি সুইচ গেট এই সুইচ গেটেরও বেহার অবস্থা সুইচ গেট গুলো মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, কখন যেন ভেঙ্গে পরবে।
বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধ পাকা রাস্তায় পরিণত করার সেই বছর থেকে ভাঙ্গা শুরু হয় এ কথা বলে এলাকায় মানুষ। বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধের কাজে অনেক অনিয়ম হয়েছে তাই এই বেহার অবস্থা। বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধ মেরামত এর দাবি করেছেন বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঁধের দুপাশে বসবাসকারী মানুষ।
বার্তবাজার/কে.জে.পি