যারা বলে পীর মাশায়েখ লাগেনা তারা মূর্খ: কুয়াকাটা হুজুর

অন্তরে তাকওয়া সৃষ্টি করতে পারলে প্রকৃত মুমিন হওয়া যায়। যারা বলে আল্লাহওয়ালা লাগেনা, পীর মাশায়েখ লাগেনা, ওস্তাদ লাগেনা, তারা মূর্খ। আমি বলি তারা আহলে বাতেল। আউলিয়া কেরামদের সংস্পর্শে আসলে ঈমান তাজা হয় বলে মন্তব্য করেছেন মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী (কুয়াকাটা)।

রবিবার বাদ মাগরিব চট্টগ্রামের লোহাগাড়া শাহ্ সাহেব কেবলা চুনতী কর্তৃক প্রবর্তিত ১৯ দিন ব্যাপী সীরতুন্নবী (স.) এর ৫০তম মাহফিলের ১৮ তম দিবসের আলোচনায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা ঐ কিচ্ছা কাহিনী বলি যে কাহিনী শুনে মানুষ ইমানদার হয়। বেপর্দা মহিলারা পর্দা করে, মানুষের অন্তর নরম হয়, চোখে পানি আসে, মানুষ আল্লাহর দিকে ধাবিত হয়। অতএব যারা এই কিচ্ছা কাহিনীর বিরোধিতা করে তারা আহলে বাতেল।

চট্টগ্রাম ১৫ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামিক স্কলার প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ-দল-মতনির্বিশেষে সব মানুষের সঙ্গে সদাচরণ করে পৃথিবীর বুকে শ্রেষ্ঠতর স্বভাব-চরিত্রের অতুলনীয় আদর্শ স্থাপন করেছেন প্রিয় হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।

তিনি আরও বলেন, তাঁর স্বভাব-চরিত্রের মধ্যে বিনয় ও নম্রতা ছিল সদা জাগ্রত। মন্দের প্রতিবাদ তিনি মন্দ দিয়ে করতেন না, বরং মন্দের বিনিময়ে তিনি উত্তম আচরণ করতেন। সব বিষয়েই তিনি ক্ষমাকে প্রাধান্য দিতেন। ড. আবু রেজা নদভী আরো বলেন, ইসলাম শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দের ধর্ম।

মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আহসান সাইয়েদ, চুনতি হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ ইসমাঈল মানিক, মাওলানা শাহ আবুল কালাম আজাদ, পটিয়া মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা হোবাইবসহ বিভিন্ন স্তরের আলেম-ওলামা ও জেলা, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চুনতি হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা ফারুক হোছাইন।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর