আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বিদেশি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিচ্ছে না মার্কিন পররাষ্ট্র দফ্তর। বাইডেনের জয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিদেশি নেতারা তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেসব বার্তা তাকে দেখতে দেয়া হচ্ছে না।
এ ছাড়া নিয়মানুযায়ী, প্রেসিডেন্টের দৈনন্দিন গোয়েন্দা ব্রিফিংয়েও বাইডেনকে জানানো হচ্ছে না। খবর সিএনএন
সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনের ফল দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও মেনে নেননি। তবে জোরেশোরে সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বাইডেন। ক্ষমতা গ্রহণের লক্ষ্যে ট্রানজিশন টিম গঠনের পর এবার তিনি ঘর গোছানোর দিকে নজর দিয়েছেন। এরইমধ্যে নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে ঘনিষ্ঠ রন ক্লেইনকে তিনি মনোনীত করেছেন। ১৯৮০-এর দশক থেকে বাইডেনের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন ক্লেইন।
সাধারণ নিয়মানুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর নতুন প্রেসিডেন্টের সব ধরনের যোগাযোগের ব্যবস্থা করে থাকে। কারণ, ফলাফল ঘোষিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক দেশ নতুন প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠাতে শুরু করে। তখন পররাষ্ট্র দফতর নতুন প্রেসিডেন্টকে সহায়তা করে। কিন্তু এবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরাজয় স্বীকার না করায় তার প্রশাসন পররাষ্ট্র দফতরে বাইডেনের প্রতিনিধিদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। এ কারণে বিদেশি নেতাদের বার্তা হাতে পাচ্ছেন না তারা। তবে বাইডেন শিবির পররাষ্ট্র দফতরের সংশ্লিষ্টতা ছাড়াই বিদেশি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। এরইমধ্যে অনেক বিদেশি নেতার সঙ্গে কথাও বলেছেন বাইডেন।
পররাষ্ট্র বিভাগের একটি সূত্র জানায়, বাইডেন টিম পররাষ্ট্র বিভাগের রিসোর্স ব্যবহার করতে আগ্রহী। কিন্তু এসব সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন। কোনো একজন প্রার্থীর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার প্রথম অধিকার হল-প্রেসিডেন্টের জন্য গোয়েন্দাদের দেয়া দৈনন্দিন ব্রিফিং পাওয়া। কিন্তু বাইডেনকে এ অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এদিকে রিপাবলিকান সিনেটর জেমন ল্যাঙ্কফোর্ড বলেছেন, এগুলো না পাওয়ায় বাইডেনের কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু তিনি এগুলো পাওয়ার দাবিদার।
ওকলাহোমার সিনেটর ল্যাঙ্কফোর্ড আরও বলেন, শুক্রবারের মধ্যে বাইডেনকে গোয়েন্দা ব্রিফিং দেয়ার বিষয়ে কোনো উন্নতি না হলে তিনি পদক্ষেপ নেবেন এবং কথা বলবেন।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি