স্বামীর সাথে সংসার ঠিক রাখতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে ময়মনসিংহের নান্দাইল এসে কবিরাজের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী
(২৫)। এই ঘটনায় নির্যাতিতা নারী বাদী হয়ে নান্দাইল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষক কবিরাজ কে গ্রেফতার করে আজ সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
ওই নারী জানান, পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম ̄স্বামী মারা যান। পরে তিনি দ্বিতীয় বার বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে ̄স্বামীর সাথে তাঁর দাম্পত্য সম্পর্ক ভাল যাচ্ছিল না। এ বিষয়টি নিয়ে এক বান্ধবীর সাথে কথা বললে তিনি তাঁকে একজন কবিরাজের সন্ধান দেন।
গত শুক্রবার তাঁর বান্ধবীর দেওয়া ঠিকানা অনুসরণ করে নান্দাইলের কানুরামপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌছান। বাসস্ট্যান্ডের কাছে অবিস্থিত একটি পেট্রোল পাম্পের কাছেই কবিরাজ মুক্তোল হোসেনের বাড়ি। কবিরাজ সব কথা শুনে সম্পর্ক ঠিক করে দেওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা ও
একটি খাসি দাবি করেন। পরে কথা বলে ১০ হাজার টাকায় রফা হয়।
তাবিজ-কবজ দিয়ে নানা ধরনের কাজ করতে হবে এজন্য কবিরাজ ওই তাঁকে সাতদিন বাড়িতে থাকতে বলেন। সংসার ঠিক হওয়ার আশায় তিনি কবিরাজের বাড়িতে থেকে যান। কিন্তু ৬ষ্ঠ দিন বৃহস্পতিবার কবিরাজের সত্যিকারের চেহারা সামনে আসে। কবিরাজ তাঁকে ভয় দেখিয়ে
বলেন, এর আগে সাতজন নারীকে তাঁর ডেরায় এনে নিখোঁজ করেছেন। বেশি বাড়াবাড়ি করলে কেউ তোর খোঁজ পাবে না। এ রকম ভয় দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন।
নান্দাইল মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, ওই নারীর বক্তব্য শুনে কবিরাজে বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযু৩কে গ্রেফতার করে সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বার্তাবাজার/এসজে