রায়হান নামের এক যুবককে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ পাওয়া পুলিশের উপ-পরিদর্শক আকবরকে উর্ধ্বতণ কর্মকর্তারা দুই মাসের জন্য পালিয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছিল। নিজের ইচ্ছায় পালিয়ে বেড়ায়নি বলে দাবি করছে অভিযুক্ত আকবর।
আজ (সোমবার) দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তের লক্ষ্মীপ্রাসাদ ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্ত থেকে খাসিয়া জনগোষ্ঠির স্থানীয় লকজন তাকে আটক করে। যার কিছুক্ষণের মাঝেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায় আকবর বলছে, ‘ভাই, আমি খুনি না। ইচ্ছে করে আমি একা (রায়হান উদ্দিন আহমদ) মারিনি। রিমান্ড দিছিল পাঁচ-ছয়জন। এজন্য মরে গেছে ভাই। মারছিল জনগণ, আমরা হাসপাতাল নিয়ে গেছিলাম। কিন্তু ওখান থেকে সে (রায়হান) মরে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ভাগে আসছিলাম যে, বলছে সাসপেশন (বরখাস্ত) করছে। গ্রেপ্তার করতে পারে। (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা) বলেছে, দুই মাস পর সব ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। এরপর গেলে হ্যান্ডেল করা যাবে। আমি অন্য কোনো কারণে ভাগি নাই।’
উল্লেখ্য, সিলেট নগরীর আখালিয়া এলাকার নেহারীপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান উদ্দিন আহমদকে (৩৩) গত ১০ অক্টোবর রাতে বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের তদন্তেই বেরিয়ে এসেছে। পরের দিন ১১ অক্টোবর সকালে তাঁর লাশ পায় পরিবার। পরে ওই দিন রাতে নিহত রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
বার্তাবাজার/এসজে