আকবরকে স্থানীয় লোকজনই আটক করেছে, পুলিশ নয়

সিলিটের বনদ্রবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে এসআই আকবর ও তার দোসরদের নির্যাতনে রায়হান নামের এক যুবককে হত্যার ঘটনায় এসআই আকবরকে আটক করা হয়েছে। আজ (সোমবার) সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের ভারত সীমান্ত থেকে তাকে আটক করা হয়।

দেশের কিছু সংবাদ মাধ্যমে বলা হচ্ছে আকবরকে পুলিশ আটক করেছে। কিন্তু আটকের পর ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায় খাসিয়া পল্লীর সাধারণ মানুষরাই তাকে আটক করেছেন।

এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মামলার তদন্তকারী প্রতিষ্ঠান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, আকবরকে ভারত সীমান্তের অভ্যন্তরে খাসিয়া পল্লির সাধারণ মানুষরাই আটক করেন।

পিবিআই সিলেটের বিশেষ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান বলেন, ‘আকবরকে ভারতের অভ্যন্তরের খাসিয়া পল্লির স্থানীয়রা আটক করে। পরে বাংলাদেশের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তবে, কীভাবে হস্তান্তর হয়েছে তা এখনো জানি না।’

সিলেটের সহকারি পুলিশ সুপার আব্দুল করিম জানিয়েছেন, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের ভারত সীমান্ত থেকে আকবরকে আটক করা হয়।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাধারণ কিছু মানুষই তাকে আটক করেছিলেন। এ ভিডিওতে কিছু খাসিয়া ভাষাভাষী ও কিছু বাংলাভাষী মানুষকে দেখা যায় আকবরকে বেঁধে রাখতে। আকবর সেসময় তাদের কাছে ‘তিনি রায়হানকে খুন করেননি’ বলে কাঁন্নাজড়িত কণ্ঠে অনুনয় করতে থাকেন।

এ বিষয়ে বিজিবি’র ১৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাঈদ হোসেন বলেন, ‘আকবরকে ভারত সীমান্তের অভ্যন্তরে খাসিয়ারা আটক করেন। পরে তারা সীমান্ত এলাকার আব্দুর রহিম নামের এক বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করে সীমান্তেই আকবরকে তার হাতে তুলে দেন। আব্দুর রহিমই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আকবরকে পুলিশে হস্তান্তর করে।’

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর