লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারীতে আবু ইউনুস মো শহিদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় করা তিনটি মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার প্রধান আসামি আবুল হোসেনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড চাইলে লালমনিরহাট জেলা জজ আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট (আমলী আদালত-৩) বেগম ফেরদৌসী বেগম ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডের আদেশ পাওয়া আবুল হোসেন উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং এই হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি। গত শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার কুড়িল-বিশ্বরোড থেকে গোয়েন্দা তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে গতকাল রবিবার রাতে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পাটগ্রাম থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নের উফারমারা গ্রামের রবিউল ইসলাম (৪৮) ও একই গ্রামের মো. সুজন মিয়া (২১)। এ নিয়ে ওই ঘটনায় তিনটি পৃথক মামলায় ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন, এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুই দফায় নয়জনকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আর তিনজন আদালতে দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।এই ঘটনার কোন অপরাধী পার পাবে না।ঘটনার ভিডিও চিত্র বিশ্লেষণ করে ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য যে, গত ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বুড়িমারীতে আবু ইউনুস মো শহিদুন্নবীকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে।নিহত জুয়েল রংপুর শহরের শালবন রোকেয়া সরণি এলাকার আবদুল ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে। তিনি রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন।
বার্তাবাজার/অমি/এসজে