কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিণধরা সীমান্তে চোরাকারবারিদের গরু পাচারের অবৈধ কাজে বাঁধা দেওয়ায় এ.ক.এম হাসানুজ্জামান নামের এক স্থানীয় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযাগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওই সাংবাদিক বাদী হয় একটি রৌমারী থানায় লিখিত অভিযাগ দিয়েছেন।
হরিণধরা গ্রামের এ.ক.এম হাসানুজ্জামান দীর্ঘদিন থেকে ‘দৈনিক বাংলাদেশের খবর’পত্রিকার রৌমারী উপজেলা প্রতিনিধি হিসাবে কাজ কর আসছেন। তিনি উপজেলার দাঁতভাঙ্গা সীমান্ত এলাকার হরিণধরা গ্রামের শামছুজ্জামানের ছেলে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যার দিকে চোরাকারবারীরা বাশঁ ভারতে পাচার করার সময় তিনি বিজিবিকে জানালে পরে তার বাড়ির উঠানে আড়কির বাঁশগুলো (সীমান্ত দিয়ে গরু পারাপার ব্যবহৃত) রেখে যান চোরাকারবারিরা।এর পর খবর পেয়ে দাঁতভাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পর সদস্যরা এস বাঁশগুলা উদ্ধার করে নিয়ে যান।
এঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠা স্থানীয় চিহ্নিত চোরাকারবারিরা হরিণধরা গ্রামের মৃত আজগর আলীর ছেলে রাজু মিয়া, একই এলাকার মত শহিদার রহমানের ছেলে ইউনুছ আলী ও নুরবক্ত মন্ডলর ছেলে মহিউদ্দিন।
অভিযুক্ত মহিউদ্দিন ও ইউনুছ প্রকাশ্য ওই সাংবাদিকক হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তুই বিজিবিক দিয় আমাদের আড়কির বাঁশ ধরি দিছিস। তোক মেরে লাশ সীমানার ওপারে ফেলে দেবো।’এ ছাড়াও রাজু নামের ওপর একজন হুমকি দিয়ে বলেন,”তোকে এলাকায় শান্তিতে থাকতে দেবো না, গ্রাম ছাড়া করে ছাড়বা।”
এঘটনার জেরে গত ১২ অক্টাবর রাতে বাড়ির সিকিউরিটি বাল্ব ভেঙ্গে গাছ থেকে নারিকেল ও জামবুড়া চুরি কর নিয়ে যায় তারা বলে অভিযোগ করেন ঐ সাংবাদিক। ৬ নভেম্বর মাঝরাত ওই সাংবাদিকর বাড়িত লাগানা ৪০টি পেঁপে ও ৫টি আমগাছ চারা কেটে দেন বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে রৌমারী থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির বলেন, এঘটনায় একটি লিখিত অভিযাগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তাবাজার/অমি