সেনাবাহিনীর ইশারায় পরিচালিত কথিত গণতান্ত্রিক দেশ মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচন আগামী রোববার (৮ নভেম্বর)। তবে আন্তর্জাতিক মহলে এখন চিন্তার বিষয় হচ্ছে, আবারও কি দেশের ক্ষমতায় আসছেন নোবেলজয়ী অং সান সূ চি? নাকি অন্য কেউ?
দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে দেশটির সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০১০ সালে কিছুটা গণতন্ত্রের পথে আসে। তখন দীর্ঘদিন গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়ে শান্তিতে নোবেল জিতেন সু চি
তবে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে সেনাবাহিনীর শক্ত নিয়ন্ত্রণ থাকায় কখনোই রাজনৈতিক বিতর্ক বন্ধ হয়নি মিয়ানমারকে ঘিরে। ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অমানবিক নির্যাতনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা।
জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ কোটি ৭০ লাখ। এর মধ্যে ৫০ লাখ ভোট তরুণদের। ক্ষমতাসীন এনএলডি সরকার সাম্প্রতিক সময়ের ছাত্র আন্দোলন ঠেকাতে শক্তি প্রয়োগ করেছিল। ফলে ‘অল বার্মা ফেডারেশন স্টুডেন্টস ইউনিয়ন’ নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে।
বার্তাবাজার/এসজে