ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভ দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে চলমান ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভ দুই দেশের সম্পর্কে কোনও বিরূপ প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের অফিসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দুই দেশের সম্পর্কে কোনও বিরূপ প্রভাব পড়বে না। আপনারা দেখেছেন যে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টও বলেছেন এই বিষয় সম্পর্কে ওনার অবস্থান অনেক নমনীয় হয়ে এসেছে।

বিভিন্ন সংগঠন ফ্রান্সবিরোধী মন্তব্য ও বিভিন্ন দাবি তুলছে- এবিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ মতামত দিয়েছে দূতাবাস বন্ধ করা বা অন্য কিছু। কিন্তু আমরা মনে করি ধর্ম ও ব্যবসা এক করা ঠিক হবে না।

চলমান বিক্ষোভ ইউরোপ কীভাবে নিচ্ছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশ এবং সবার মত প্রকাশের অধিকার আছে। তারা কোনও হিংসাত্নক কাজ করছে না, ঘরবাড়ি ভাঙছে না। ইউরোপে যদি তারা দেখে, তবে কোনও অসুবিধা নাই। মানুষ তো তার মনোভাব ব্যক্ত করতেই পারে। কিন্তু সরকার এব্যাপারে বলেছে, আমরা কারও মৃত্যু চাই না। সেই সঙ্গে এটাও বলেছি, স্পর্শকারত বিষয়ে আমাদের সংযত হওয়া উচিত।

সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারির সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজ মাইজভান্ডারি সাহেব এসেছিলেন এবং আমরা তাদের বলেছি আমরা ফ্রান্স সরকারকে জানিয়েছি। তারা আমাদের সংসদে একটি রেজুলেশন নেওয়ার জন্য বলেছেন।

আমি বলেছি, আমি সদস্য, আপনি বিষয়টি উত্থাপন করেন। যে কোনও লোকই তাদের মতামত দিতে পারে। মাইজভান্ডারি সাহেব তরিকুল ইসলামের পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

আন্দোলন সম্পর্কে মতামত জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, অবশ্যই তারা তাদের মতামত দেবে এবং এই স্বাধীনতা আমরা সারাদেশে দিয়ে রেখেছি। আমরা যেটা চাই, এই ধরনের কার্যকলাপ যেন হিংসাত্নক না হয়। কিন্তু জনগণের অধিকার আছে তাদের মতামত দেওয়ার। নিজেদের অভিব্যক্তি এমনভাবে প্রকাশ করবে যাতে করে অন্যরা আক্রান্ত না হয়।

বার্তাবাজার/অমি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর