কুমিল্লার তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জামাল হোসেন ও তার সহোদর কামাল হোসেনসহ উপজেলা শ্রমীক লীগের সাংগঠকি সম্পাদক মান্নান মুন্সির নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করা হয়।
আজ সকাল সাড়ে ১১টায় তিতাস উপজেলার গৌরীপুর হোমনা সড়কের জিয়ারকান্দি অংশে জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন পেশা-শ্রেণীর লোকজন এ প্রতিবাদ সভায় অংশ নেন।
এসময় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো.আজমল সরকার,সহ-সভাপতি মো. আবুল হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমির হোসেন, উপজেলা ক্রীড়া সম্পাদক মাজারুল সরকার, জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সোহেল রানা,যুবলীগ নেতা ডালিম মুন্সি। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমীক লীগের সভাপতি গাজী সোহেল রানা ও সহ-সভাপতি এনামুল হক টিপিুসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, জামাল,কামাল ও মান্নান তারা নির্দোষ। তাদেরকে অবিলম্বে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
মামলার বাদী মেসার্স কনটেমপোরারীর স্বত্বাধিকারী আমির আজম রেজা বলেন, ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রনালয়ের অধীন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ফাজিল(ডিগ্রী) মাদ্রাসা চত্বরে বন্যা আশ্রয়কেন্দ নির্মাণ কাজ করিতেছি।
গত ২৯ অক্টোম্বর ২য় তলার ছাদ ঢালাই চলাকালীন সময়ে এজাহারে উল্লেখিত আসামীরা মোবাইলে ফোন দিযে আমার সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. রাকিবকে হুমকি দেয় এবং চাঁদা দাবি করে পরের দিন দেখা করতে বলে এবং ওই দিনই রাত আনুমানিক ১১.৪৫ মিনিটে আসামীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ইঞ্জিনিয়ার রাকিবসহ শ্রমিকদের মারধর করে।
এদিকে মামলার ১নং আসামী আলভী এন্টারপ্রাইজ এন্ড কন্সট্রাকশনের প্রোপাইটর আলম বলেন আমি কোন প্রকার চাঁদা দাবি করিনি,আমি ওই সাইডে শর্তাবলীর মাধ্যমে বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে আসছি এবং ওই দিন আমি আমার পাওনা টাকা চাওয়ায় আজ আমাকে আসামী করে চাঁদা বাজির মামলা দিয়েছে।এবং আমার সাথে যাদেরকে আসামী করা হয়েছে তাদের সাথে আমার কোন প্রকার ব্যবসার সম্পর্ক নেই। আমি এর সঠিক তদন্তের দাবি করছি।
কেএস/বার্তাবাজার