পটুয়াখালীর জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের ফেলাবুনিয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৭টি ব্যবসায়ী দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আনুমানিক ৫০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।
ব্যবসায়ীরা ও স্থানীয়রা জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। মুহূর্তেই মুদিমনোহারি, ইলেকট্রনিক্সের, চায়ের দোকান ও রেস্টুরেন্টসহ মোট ৭ টি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, গনি মালের মুদিমনোহারি দোকান, স্বপন খন্দকারের মুদি দোকান, রবিউলের ইলেকট্রনিক্সের দোকান, হাসানের মুদি দোকান, নিজামের চায়ের দোকান, মিজানুরের মুদি দোকান ও রনির রেষ্টুরেন্টে।
প্রায় দুই ঘন্টা স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীদের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও ওই দোকানগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে কি কারণে আগুন লেগেছে এখনো মিলেনি এমন কোন সন্ধান।
এব্যাপারে ফেলাবুনিয়া বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার লোক। এককথায় বলতে গেলে আমাদের এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া কিছুই নেই। এটার উপরেই আমাদের সংসার চলে। পূর্বেও আঠেরো সালে একবার এর থেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে। তখনও অনেক ভাবে আশ্বাস পেয়েছি কিন্তু কিছুই আমরা পাইনি। সামান্য কিছু টাকা তাও আবার কেউ পেয়িছি কেউ পাইনি। সরকারের কাছে দাবি জানাই যাতে আমার এই ভাইদের সাহায্য করা হয়। সহায়সম্বল বলতে তাদের এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া আর কিছুই নেই।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, চায়ের দোকানের গ্যাস সিলেন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে।’
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমান জানান, ‘ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য ২০১৮ সালে একবার একই বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি