পাবনার ঈশ্বরদীতে পরকীয়া প্রেমের অভিযোগে ইসহা্ক আলী (২৮) নামের এক যুবককে কথিত পীরের আস্তানায় পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ইসহাক আলী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের সিভি হাট গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে।
জানা যায়, উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের সাঁড়াঘাট এলাকার জয়নাল মোল্লার বাড়িতে বছর পাঁচেক আগে একটি মাজার প্রতিষ্ঠা করেন তার মেয়ের জামাই কথিত পীর হাফিজুল ইসলাম। প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার সেখান বসতো গান বাজনার জমজমাট আসর।
সেই মাজারে ভক্ত হিসাবে নিয়মিত যাতায়াত ছিল নিহত ইসহাক আলীর। নিয়মিত যাতায়াতের সুবাধে কথিত পীর হাফিজুলের শ্যালিকা স্বামী পরিত্যাক্তা খালেদা খাতুন কুটিলার সাথে গড়ে উঠে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক।
গত শুক্রবার মাজারে আসর চলাকালে তারা অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হলে তাদেরকে সেখে ফেলে কুটিলার বড় ভাই রবিউল মোল্লা। এসময় চিৎকার করে তার বড় ভাই বাবু মোল্লাকে ডেকে আনেন রবিউল মোল্লা।
তারপর দুজন মিলে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেন ইসহাককে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হলেও তাকে আটকে রাখা হয় ঘরে। শনিবার ভোরে অবস্থার অবনতি হলে গোপনে একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১০টার দিকে ইসহাক আলীর মৃত্যু হয়।
সূত্র জানায়, নিহত ইসহাকের স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে। পাশাপাশী স্বামী পরিত্যক্তা কুটিলারও একট সন্তান রয়েছে।কুটিলার স্বামী প্রায় ৫/৬ বছর আগে কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেন। তারপর থেকে কুটিলা কখনও বাবার বাড়ি কখনও ভগ্নিপতি পীর হাফিজুলের বাড়িতে সময় কাটান।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ওসি শেখ নাসীর উদ্দীন বলেন, এ বিষয়ে এখনও কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তাবাজার/এসজে