মুরগি রাখার খোপের ধারে ছোট্ট ঘরে বসানো হয়েছে এক্সরে মেশিন। নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিলেও দেখাতে পারেনি চিকিৎসকের কোন সনদপত্র। ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার জন্য যথাযথ কাগজও নেই তাদের। এরপরেও সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে অপারেশন থেকে শুরু করে বিবিধ চিকিৎসা ব্যবস্থা দিয়ে আসছিল ফরিদপুরের ভাঙ্গার পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযান পরিচালনা করেন র্যাব সিপিসি-২ এর সিনিয়র এ এসপি অধিনায়ক মুকুর চাকমা ও ভাঙ্গা সহকারী কমিশনার ভূমি আলামিন মিয়া। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত নামধারী চিকিৎসক মামুন মিয়াকে ৬ মাসের, পরিচালক মুজিবুর রহমান খোকন মিয়াকে তিন মাসের ও অপর পরিচালক ওসমান মুন্সীকে ২ মাসের কারাদণ্ড দেন।
র্যাবের অভিযানিক দল স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক যে সকল তথ্য উপাত্তসহ স্বাস্থ্যবিধিগত পরিবেশ থাকা দরকার পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে জড়িতরা সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নিজেদের মত করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
ভূক্তভোগী রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে তিনজনকে আটকের পরে কারাদণ্ড ও পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাকিম ভাঙ্গা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আলামিন মিয়া।
বার্তা বাজার / ডি.এস