ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের আবদুল মান্নানের ছেলে পুলিশ সদস্য জাকির হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য জাকির বরগুনার তালতলী থানায় কর্মরর্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পুলিশ সদস্য জাকিরের স্ত্রী বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নুরুজ্জামান এর মেয়ে আফরিন আক্তার ইভা জানান, বিয়ের পর থেকেই আমাকে যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় আমার স্বামী জাকির, বাসুর আজাদ হোসেন কালু, ননদ পারভিন মারধর করতো।
এক পর্যায়ে আমি সইতে না পেরে আমার বাবাসহ বরগুনা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করি, এরপর পুলিশ সুপার আমার স্বামীকে ডেকে একটি অঙ্গিকারনামা নিয়েছেন যে কোন সময় আমার স্বামী আমার কাছে যৌতুক চাইবে না এবং আমাকে মারধর করবে না ও ১ মাসের মধ্যে আমাকে তার কর্মস্থলের কাছে বাসা ভাড়া করে রাখবে।
ওই অঙ্গীকারনামার পর কয়েকদিন ভালো থাকলেও হঠাৎ গত তিনদিন আগে আমার স্বামীর নির্দেশে ভাসুর আজাদ হোসেন কালু ও শাশুড়ি, ননদ মিলে পিটিয়ে আহত করে, মেরে ফেলার হুমকি দেয়, পরে রক্তাক্ত অবস্থায় আমি স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাড়ী থেকে রাস্তায় আসলে টহল পুলিশ আমাকে হাসপাতালে পাঠায়।
ভেলুমিয়া ফাঁড়ির উপ-পরির্দশক শমসের আলী নির্যাতিতা গৃহবধূকে হাসপাতালে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তবে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য জাকিরের বাড়ীতে গিয়ে তার বড় ভাই আজাদ হোসেন কালুকে পাওয়া যায়নি তবে জাকির মোবাইল ফোনে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ করেন এই প্রতিবেদককে এবং ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।
এই বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বার্তা বাজার / ডি.এস