ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ভাড়া করে সন্ত্রাসী বাহিনী এনে কাজ দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে স্বামী সামাদ শেখ (৩০) নামে একজনকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রথম স্ত্রী জিন্না বেগম।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের ডোবরা-সাতৈর সড়কের ফলিয়ারবিল ব্রীজ নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। আহত সামাদ শেখ উপজেলার শেখর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের সাঈদ শেখের ছেলে।
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানায় শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে একটি মামলা করেছেন আহত সামাদ শেখের বাবা সাঈদ শেখ। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের বিটুল শেখের নিজ বাড়ি থেকে রাতে প্রথম স্ত্রী জিন্না বেগম (৩০) ও তার ভগ্নিপতি লুৎফর রহমান বিটুল শেখকে (৪০) আটক করেছে।
বোয়ালমারী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, সামাদের প্রথম স্ত্রী জিন্না বেগমের সাথে যোগাযোগ না রাখায় এবং ভরণপোষণ না দেয়ার ক্ষোভে জিন্না বেগম পরিকল্পিতভাবে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে সামাদকে কুপিয়ে জখম করে।
কর্মহীন সামাদকে কাজ দেয়ার কথা বলে প্রথম স্ত্রী জিন্না বেগম তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে গত কয়েকদিন ফোন দেন।
একপর্যায়ে ওই ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের ডোবরা-সাতৈর সড়কের ফলিয়ারবিল ব্রীজের নিকট মোটর সাইকেলে নিয়ে সামাদকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এ সময় সামাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে আহত সামাদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এক অটো চালক বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসে। সামাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বোয়ালমারী থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুর রহমান বলেন, ‘সামাদকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
কেএস/বার্তাবাজার