যাচ্ছে ভালো, আসছে মন্দ: আকুব্বরের দৈন্যতা

নাম তার আকুব্বর শেখ। বয়স ষাটোর্ধ্ব হবে। খাল-বিল থেকে শাপলা কুড়িয়ে তা বিক্রি করে চলে বৃদ্ধ আকুব্বর শেখের সংসার। ভরা বর্ষা মৌসুম থেকে বিভিন্ন বিল থেকে শাপলা কুড়িয়ে বাজারে তা বিক্রি করে আজ অবধি ভালোই চলছে তার সংসার।

প্রতিদিন তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের জাটিগ্রাম বাজারে শাপলা বিক্রি করেন। দৈনিক আয়-রুজীও বেশ ভালই হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে খাল-বিলের পানি কমতে শুরু করেছে। ফলে শাপলার পরিমাণও দিনদিন কমতে শুরু করছে। এতে আকুব্বরের বাড়ছে হতাশা। কপালে তার চিন্তার ভাজ। কিছু দিন তো ভালই গেল, সামনের দিনগুলো চলবে কিভাবে? আবার ভিন্ন চেষ্টা, নতুন কোন কিছু একটা করে চালাতে হবে সংসার। কিন্তু বয়সের ভারে ভারী কাজও করতে পারেন না তিনি।

আকুব্বর শেখ জানান, খুব ভোরে বিভিন্ন বিল থেকে কয়েক ঘন্টা শাপলা কুড়ান তিনি। পরে ভ্যানে করে এগুলো বাজারে এনে বিক্রি করেন। প্রতি আঁটি শাপলা বিক্রি করেন ৫/১০ টাকা। এতে দিনশেষে ৬০০/৭০০ টাকা আয় হয়। যা দিয়ে মোটামুটি ভালোই চলে সংসার। কিন্তু খাল-বিলের পানি কমতে শুরু করায় আর কয়েকদিন পর আয়ের এ পথটিও বন্ধ হয়ে যাবে।

আকুব্বর শেখের মত নিম্ন আয়ের কর্মজীবি অনেকেই এই মৌসুমে বিনা পুঁজিতে শাপলা বিক্রি করে বাড়তি আয় করে মোটামুটিভাবে সংসার চালিয়েছে। কিন্তু এই বর্ষা মৌসুম শেষে তাদের আবার পড়তে হবে দৈন্যতায়।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর