টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নাজমুল একাদশ। কিন্তু বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে বড় সংগ্রহ দাড় করাতে পারেনি নাজমুলবাহিনী। বৃষ্টির কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয়েছিল ৪১ ওভারে। এর আগেই ৩৯.৩ ওভারে তারা অল আউট হয়েছে ১৬৫ রানে। বৃষ্টি আঈনে ৪৫ ওভারে ১৬৫ রানই করতে হবে এখন তামিমদের।
সর্বোচ্চ ৫১ রান এসেছে মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। এছাড়া আফিফ হোসেন করেন ৪০ রান। তামিম একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এছাড়া মুস্তাফিজের শিকার ৩উইকেট।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই বিপদে পড়েছিল নাজমুল একাদশ। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাজমুল একাদশের ৩ ব্যাটসম্যান। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে সাইফউদ্দিনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সৌম্য সরকার।
৮ বলে ৭ রান করা এই ওপেনার আকবর আলীর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার দুই ওভার পরই মেহেদি হাসানকে ডিপ স্কোয়ার লেগে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ১০ রানে ফিরেছেন পারভেজ হোসেনও। ১৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর দলকে বিপদমুক্ত করতে পারেননি অধিনায়ক শান্তও।
মুস্তাফিজের প্রথম ওভারেই মিড অন অঞ্চলে ক্যাচ এনামুল হকের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নিয়েছেন তিনি। শুরুতেই ৩ উইকেট হারানো নাজমুল একাদশকে এরপর টেনে তোলেন মুশফিক এবং আফিফ। এর আগের ম্যাচেও এই দুজনের ব্যাটে ভর করেই বিপদ এড়িয়েছিলেন তারা।
চতুর্থ উইকেটে এই জুটি যোগ করে ৯০ রান। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিল তবে ৫১ রানে সাইফউদ্দনের বলে ফিরে যান তিনি। খানিক পর ৪০ রানে আফিফকে বিদায় করেন মেহেদি। এরপর ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মাঝেই ছিলেন।
শেষের দিকে মুস্তাফিজ এবং সাইফউদ্দনের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে অনেকটাই দিশেহারা হয়ে পরেন নাজমুল একাদশের ব্যাটসম্যানরা। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নাঈমকে বোল্ড করে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন সাইফ। ১১৫ থেকে ১৬৫ রানের মাথায় ৭ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে বসে নাজমুল একাদশ।
কেএস/বার্তাবাজার