অসংখ্য প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রতারক সিকদার লিটনকে একদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ দুপুরে লিটনকে ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে তোলা হয়। পরে শুনানি শেষে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
সিআইডির সিনিয়র এএসপি (মিডিয়া) জিসানুল হক জিসান গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, প্রতারক লিটনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় হওয়া একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আজ আদালত পাঠানো হয়। এসময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
এদিকে নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত লিটন দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভোরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে গ্রেফতার হন। র্যাব-৮ এর একটি আভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে। একই দিন দুপুরে ঢাকায় করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সিআইডি তাকে নিয়ে দুই দফা অভিযান চালায়। এসময় লিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, ট্যাব, কম্পিউটার ও সীম উদ্ধার করে।
র্যাব জানায়, সোমবার ভোররাতে ভাঙ্গা থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে সিকদার লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি মামলার চারটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এসব মামলার পর লিটন দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল।
এছাড়া ফরিদপুর, খুলনা ও পাবনায় চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি, সাইবার অপরাধসহ প্রায় ডজনখানেক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ফেসবুকে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অপপ্রচার করে ব্ল্যাকমেইলিং এবং গ্রামের সহজসরল অনেক মানুষের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণার অভিযোগে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে দায়ের হওয়া মামলার আসামি তিনি। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে দুই ডজনের বেশি সাধারণ ডায়েরি রয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় সিকদার লিটন নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়েছিল।
বার্তা বাজার / ডি.এস