রাঙ্গামাটিতে ধর্ষণের ছবি ইন্টারনেটে প্রচারের হুমকি দিয়ে ফের ধর্ষণকালে আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশ হাতেনাতে আটক করেছেন মো. আলমগীর হোসেন (৪৫) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে পুলিশ রাঙ্গামাটি শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে আ.লীগ নেতা আলমগীরকে আটক করে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আদালতে চালান দেয়া হলে আলমগীরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
ভূষণছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য এবং বরকল উপজেলা আওয়ামী লীগের সদ্য কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন ধর্ষক আলমগীর হোসেন।
জানা গেছে, তালাকপ্রাপ্ত এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আলমগীর তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর ওই নারীর সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্কের ছবি মোবাইলে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে দফায় দফায় তাকে ধর্ষণ করে আলমগীর। পরে অতিষ্ঠ হয়ে ওই নারী ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
শুক্রবার ফের ওই নারীকে একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণকালে রাঙ্গামাটির কোতোয়ালি থানা পুলিশ আলমগীরকে হাতেনাতে আটক করে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আলমগীরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করে গ্রেফতার দেখানো হয়। শনিবার সকালে বরকল এলাকাবাসী রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আলমগীরের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন।
রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ছুফিউল্লাহ জানান, ধর্ষণের দায়ে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানা পুলিশ আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে।
কোতোয়ালি থানার ওসি কবির হোসেন জানিয়েছেন, ধর্ষক আলমগীরকে গ্রেফতারের পর ধর্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বার্তা বাজার/কে.কে