কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে প্রশাসনের সাথে ধাওয়া পালটা ঘটনার মধ্য দিয়ে ৫২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। এসময় পুলিশ ও সাংবাদিকসহ আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে আজ শনিবার দুপুর থেকে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার মুক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) পংকজ বড়ুয়া, সদর থানার ওসি মুনিরুল গিয়াসের যৌত নেতৃত্বে কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টে সরকারী জমির উপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালায়।
এসময় উচ্ছেদের বিরোধীতা করে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা তুমুল বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপে রনক্ষেত্রে পরিনত হয় এলাকাটি। বাধ্য হয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়ে হামলা কারীদের ছত্র ভঙ্গ করেদেয়।
বিক্ষোভকারীদের ছূঁড়া পাথরের অঘাতে কক্সবাজার সদর থানার (ওসি) শেখ মুনিরুল গিয়াস, যমুনা টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি নূরুল করিম রাসেল, সাংবাদিক ইকবাল বাহার চৌধুরীসহ দশ জন আহত হয়। পরে কক্সবাজার পৌর সভার মেয়র মুজিবুর রহমান ঘটনা স্থলে এসে হামলাকারীদের শান্ত করে।

এর আগে গতকাল, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) টিম জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে যান। অবৈধ দখলদারদের মারমুখী অবস্থান ও উচ্ছেদে বাধা দেয়ায় প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টা করেও উচ্ছেদে ব্যর্থ হয়ে বিকেলে ফিরে আসেন প্রশাসনের লোকজন।
এদিকে হামলার শিকার হয়ে সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ফিরে গেলেও সাংবাদিক নূরুল করিম রাসেলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতাল সূত্র।
বার্তাবাজার/আর.আর