আগুনে পুড়ে গৃহবধূর মৃত্যু: পরিবারের দাবি হত্যা

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামন্দী শহরে শরীরে আগুন লাগিয়ে রুবিনা খাতুন (২০) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

তবে যৌতুকের জন্য রুবিনাকে তার স্বামী মিলন হোসেন আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে রুবিনার বাবার পরিবার। এক কন্যা সন্তানের জননী রুবিনা মেহেরপুর সদর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের এনজিও কর্মী মিলন হোসেনের স্ত্রী। রুবিনা পার্শ্ববর্তি টেংগার মাঠ গ্রামের রবগুল হোসেনের মেয়ে।

আজ শুক্রবার সকালে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে রুবিনার মৃত্যু হয়।

রুবিনার স্বামী মিলনের ভাড়া বাসা মালিকের স্ত্রী শামীমা আক্তার জানান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রুবিনা ও তার স্বামী মিলনের সাথে রান্না করা নিয়ে ঝগড়া হয়। রাত নয়টার দিকে রুবিনা স্বামীর উপর অভিমানে তার নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এসময় মিলন টের পেয়ে তাকে বাঁচাতে চিৎকার দিতে থাকে। চিৎকার শুনে ছুটে গিয়ে রুবিনাকে বামন্দী শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এসময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে শুক্রবার ভোররাতে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সকালে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রুবিনার বাবার পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবীতে ব্যর্থ হয়ে ও স্বামী মিলনের পরকীয়া প্রেমের কারণে রুবিনাকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে স্বামী।

স্থানীয়রা জানান রুবিনার ৪ বছর আগে মিলনের সাথে বিবাহ হয়। বিয়ের পর মিলন একটি এনজি’তে চাকরী নেন। চাকরীর সুবাদে তারা স্বামী-স্ত্রী ও তিন বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান নিয়ে বামন্দী শহরের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। ভাড়া বাসায় থাকাকালীন প্রায়ই দু’জনের মধ্য ঝগড়া হয়ে আসছিল।

গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর