মাযের পরকীয়া সম্পর্কের কথা জেনে ফেলায় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে স্কুলছাত্র পারভেজকে (১৫) হত্যা করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব-১৪’র প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১৪’র উপ-অধিনায়ক মেজর মো. ফজলে রাব্বি।
এ ঘটনায় মা’সহ পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪। গ্রেফতারকৃতরা হল- প্রধান আসামি এমদাদুল হক (৩৮), নিহতের মা মোছা. রোজিনা আক্তার (৩০), মো. গনি (৪৫), সুলতান উদ্দিন (৪০), রুহুল আমিন (৫৮)।
তিনি বলেন, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর উত্তরপাড়া এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের পাড় থেকে স্কুলছাত্র পারভেজ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি জানার পর তৎক্ষণাৎ র্যাব-১৪’র একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হত্যার বিষয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, পারিপার্শ্বিকতার বিচার ও নিহতের বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে দুইদিনের মধ্যেই হত্যার রহস্য উন্মোচন করে র্যাব-১৪। এরই ধারাবাহিকতায় অপারেশন টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈশ্বগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে হত্যায় জড়িত পাঁচ আসামি গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মেজর মো. ফজলে রাব্বি আরও বলেন, রেজিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার এমদাদুল হকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি তার ছেলে পারভেজ জেনে ফেলার কারণে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে মা রোজিনা ও পরকীয়া প্রেমিক এমদাদুল। পরবর্তীতে পরিকল্পনা মোতাবেক অন্যান্য আসামিদের টাকার দিয়ে ভাড়া করে এনে তাদের সহায়তায় পারভেজকে হত্যা করে ব্রহ্মপুত্র নদে ভাসিয়ে দেয় আসামিরা। জিজ্ঞাসাবাদে এসব স্বীকার করেছে বলেও জানান র্যাব-১৪’র এ কর্মকর্তা।
বার্তা বাজার / ডি.এস