পুলিশে প্রথম চাকরিটা পেয়েছিলেন কনস্টেবল পদে। এরপর উপ-পরিদর্শক পদে চাকরি হয় আকবর হোসেন ভুইয়ার। কিন্তু পুলিশে যোগদান করেই পরিবারের অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে তার।
সিলেটে পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দরবাজার ফাঁড়ি ইনচার্জ আকবর হোসেন ভূইঁয়া। আলোচিত ও সমলোচিত এই পুলিশ কর্মকর্তা বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায়।
উপজেলার বগইর গ্রামের জাফর আলী ভূইয়ার ছেলে তিনি। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আকবর দ্বিতীয়। পুলিশে তার চাকরি হওয়ার তার পুরো পরিবার বদলে গেছে। গ্রামের বাড়িতে নির্মাণ করেছেন বিলাসবহুল বাড়ি। প্রথম তলার কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছেন। পাশপাশি বাড়ির সামনে নির্মাণ করছেন আধুনিক গেইট। যার নির্মাণ কাজ চলছে।
তবে পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যুর ঘটনায় নির্যাতনের সঙ্গে আকবর হোসেন ভূইঁয়া জড়িত থাকায় হতবাক তার জন্মস্থানের মানুষ। তার এই কর্মকান্ডে হতাশ স্থানীয়রা বিচার দাবি করেছেন। যদিও তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চান না।
তারা বলছেন পুলিশ কর্মকর্তা আকবর হোসেন ভূইঁয়া ও তার পুরো পরিবার বিতর্কিত। তার পিতা ধর্ষণ মামলার আসামিও ছিলেন। স্থানীয় বিএনপি রাজনীতি তাদের ছিলো আধিপত্য। সময়ের সঙ্গে তারা এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত। টাকার বিনিময়ে চাকরি নিয়ে ছিলেন তিনি। পুলিশের চাকরিতে যোগদান করে হয়েছে অসংখ্য সম্পত্তির মালিক।
আশুগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হানিফ মুন্সি জানান, বিষয়টি আশুগঞ্জের জন্য লজ্জাজনক ও নিন্দনীয় কাজ। আকবরের পরিবার কখনো আ.লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলো না।
তবে তার ছোট ভাই জানান, তার ভাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না।
বার্তাবাজার/এসজে