দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার জন্য পাকিস্তানকে বার্তা দিয়েছে ভারত!

পকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত নীতি পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন ভারত দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার আশা প্রকাশ করে পাকিস্তানকে বার্তা দিয়েছে। খবর পাকিস্তানের জাতীয় দৈনিক ডন অনলাইনের।

মঙ্গলবার ভারতীয় অনলাইন গণমাধ্যম দ্য ওয়্যারকে দেয়া সাক্ষাতকারে ইমরানের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঈদ ইউসুফ বলেন, ‘বিগত কয়েক বছর ধরে আলোচনার প্রত্যাশা জানিয়ে আমরা (নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে) কিছু বার্তা পেয়েছি।’ তবে কার মাধ্যমে এবং কাকে এই বার্তাটি পাঠানো হয়েছে এ বিষয়ে অবশ্য কিছুই জানাননি তিনি।

ভারতের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে পাকিস্তান কিছু শর্ত দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন মঈদ ইউসুফ। তবে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনার আশা প্রকাশ করে দেয়া বার্তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

ডনের বুধবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তবে পাকিস্তান ভারতের অভিপ্রায় মূল্যায়ণ করতে চাইবে, তা না হলে ভবিষ্যত সংলাপ ব্যবহার করে বিশ্বকে জানাতে হবে যে কাশ্মীরের সঙ্গে দুই পক্ষের মধ্যে সবকিছু ঠিক আছে।

ইমরানের উপদেষ্টা বলেন, ‘পাকিস্তান চায় না যে ভারত শুধু এটা বিশ্বের কাছে বলার জন্য ব্যবহার করবে যে সবকিছু স্থিতিশীল এবং সবকিছুতেই একমত হয়েছে। কথা বলার জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশও থাকতে হবে।’

মঈদ ইউসুফ আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের আলোচনায় কাশ্মীরিদের অবশ্যই তৃতীয় পক্ষ হতে হবে। ভারত যতক্ষণ না জম্মু-কাশ্মীরে নৃশংসতা ও সন্ত্রাসের অবসান ঘটাচ্ছে, ততক্ষণ আলোচনা হতে পারে না।

কাশ্মীরে ভারতের নেয়া একপাক্ষিক পদক্ষেপ থেকে সরে আসতে নয়াদিল্লির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য নয় আপনাদের নিজেদের জন্য হলেও সামরিকভাবে কাশ্মীর দখল থেকে সরে আসুন। কাশ্মীরে আবাসন সংক্রান্ত আইনটি প্রত্যাহার করা ছাড়াও সেখানে উন্মুক্ত কারগার পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে।’

কাশ্মীর দিখণ্ডিত হওয়ার পর এই প্রথম পাকিস্তানের কেউ ভারতীয় গণমাধ্যমে সাক্ষাতকার দিলেন। পাকিস্তানের কেউই যুদ্ধ চায় না জানিয়ে ইমরানের নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, ‘পাকিস্তান শান্তির পক্ষে। পাকিস্তানের কেউই যুদ্ধ চায় না। কাশ্মীরের পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় ইসলামাবাদ।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কৌশলগতভাবে চিন্তা করা দরকার। বয়োজ্যেষ্ঠ মানসিকতা নিয়ে আমাদের আলোচনায় বসতে হবে। আমরা উভয়ই জানি বিষয় দুটি— কাশ্মীর ও সন্ত্রাসবাদ। আমি উভয় বিষয়ে কথা বলতে চাই।’

বার্তাবাজার/এমআর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর