প্রজনন ইলিশ সংরক্ষণ সময়ে আইন অমান্যকারীকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান ও জেলা মৎস কর্মকর্তা আবু সাইদ। এই সময়ে জেলে বা অন্য কেউ যদি ইলিশ শিকার করেন এবং সরকারি কর্মকর্তা অনিয়ম করলে উভয়কেই শাস্তির আওতায় আসতে হবে।
আজ (১৪ অক্টোবর) বুধবার সকালে কীর্তনখোলা নদী তীরবর্তী ডিসি ঘাট এলাকায় ‘প্রজনন ইলিশ সংরক্ষণ’ অভিযানের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তারা।
কর্মসূচির উদ্বোধক এসএম অজিয়র রহমান বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষন করলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। তাই ২২ দিনের প্রজনন ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড, র্যাব, পুলিশ, মৎস অফিস ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে নদী ও বাজারে অভিযান চালাবে।
তিনি আরো বলেন, ইলিশ শিকার বন্ধের দিনগুলোতে মৎস অধিদপ্তর থেকে পাঠানো জেলেদের সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। সহায়তা পেয়ে বা লোভের বর্শবর্তী হয়ে যারা আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধের সময়ে যারা ইলিশ ধরা, সংরক্ষন, বাজারজাতের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকবে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচার করা হবে।
জেলা মৎস কর্মকর্তা বলেন, প্রজনন ইলিশ সংরক্ষন অভিযান চলবে আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত। এসময় ইলিশ সংরক্ষন অভিযানে দায়িত্বরত কোনো কর্মকর্তার অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা ও কীর্তনখোলা নদীতে স্পীডবোটে মহড়া দেওয়া হয়।
বার্তাবাজার/আর.আর