হাজতখানায় গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেলেন আসামি

ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা হেফাজতে মামুন মিয়া নামের এক আসামি গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে নিজের পড়নের লুংগি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সে মারা যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দেওতলা খ্রিস্টান পল্লী এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা যায় তিনি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থানার প্রবাসীর স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা (৩০)। লাশ উদ্ধারের পর রবিবার রাতে নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অটোরিকশা চালক মামুন মিয়া রাজিয়াকে হত্যা করে লাশ গুম করতে অন্য স্থানে ফেলে আসে। সোমবার ওই নারীর স্বজন ও এলাকাবাসী বিষয়টি আচঁ করতে পেরে মামুনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে শ্রীনগর থানায় সোপর্দ করে। মঙ্গলবার সকালে নবাবগঞ্জ থানা-পুলিশের কাছে আসামিকে হস্তান্তর করে। দুপুরে নবাবগঞ্জ থানা-পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রাথমিকভাবে সে হত্যার কথা স্বীকার করে। এরপর থানা-পুলিশ তাকে আদালতে পাঠাতে প্রস্তুতি নেয়। এর ফাঁকে আসামি মামুন তার পরিহিত লুঙ্গি দিয়ে হাজত খানার ভেতর টয়লেটের জানালার সঙ্গে ফাঁস দেয়।

পরে থানার ওসি শেখ সিরাজুল ইসলাম উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ঘটনাটি জানালে ঢাকা জেলা অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার, নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাশটি সুরতহাল করে ময়না তদন্তর জন্য ঢাকা প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে ওসি শেখ সিরাজুল ইসলাম জানান, ফাঁস দিয়ে মারা যাওয়া মামুনের লাশ ময়নাতদন্তর জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর