জীবন সংকটে ২ ঘন্টা অতিক্রম, চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে গেলো রোগী

কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার গ্রীন লাইফ জেনারেল হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে চিকিৎসা ব্যাবস্থা নিয়ে গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোগীর স্বজনরা জানান,১০ অক্টোবর (শনিবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাহিতা মনি (১৮) নামের এক কিশোরী পেটের ব্যাথা নিয়ে গ্রীন লাইফ জেনারেল হাসপাতালে যান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে । এরপর দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাঃ অমিত বসুকে তারা দেখান । ডাঃ অমিত বসু রোগীর অবস্থা মারাত্মক দেখে কিশোরী রোগী মাহিতা মনিকে কে হাসপাতালের কেবিনে ভর্তি করান সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এবং স্যালাইন,ইনজেকশনসহ ঔষধ পত্র লিখে দেন । এরপর রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের ভিতরে অবস্থিত ফার্মেসী থেকে যাবতীয় ঔষধপত্র কিনে নিয়ে যাবার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৯টা ২০ মি. পর্যন্ত একাধিকবার ডাকার পরও কোন নার্স এবং ডাক্তারকে পাননি তারা। এরপর রোগীর মারাত্মক অবনতি ঘটলে রোগীর স্বজনরা রোগীর জীবন বাঁচাতে হাসপাতাল থেকে রোগীকে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র চিকিৎসা করান।

রোগীর ভাই কাইয়ুম হাসাস কিরন অভিযোগ করে বলেন,”আমার ছোটবোন পেটের ব্যাথায় ছটফট করছে,তাদের কথানুযায়ী ঔষধ পত্র কেনা ও হাসপাতালের কেবিনে ভর্তি করার পর কোস ডাক্তার, নার্স আমার বোনকে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে আসেনি ।আমার বোনের অবস্থার অবনতি ঘটায় আমরা সেখান থেকে রাগ করে দ্রুত চলে এসে অন্যত্র চিকিৎসা করাই । বর্তমানে আমার বোন কিছুটা সুস্থ রয়েছে ।”

এ বিষয়ে গ্রীন লাইফ জেনারেল হাসপাতালের ম্যানেজার মোঃ মগবুলুর রহমান অনু বার্তা বাজারকে বলেন,” বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি একটি অনাকাংঙ্খিত ঘটনা, আশা করি ভবিষতে এরকমটা ঘটবে না।” আরেক প্রশ্নের জবাবে মি.অনু বলেন,”ও্ই সময় যে সমস্ত ডাক্তার ও নার্স ডিউটিরত অবস্থায় ছিলো, তাদের সবাইকে কাল বিকেলে নিয়ে বসবো, যাদের গাফিলতি থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । ”

উল্লেখ্য, গ্রীন লাইফ জেনারেল হাসপাতালট কুড়িগ্রাম শহরে কয়েকবছর হলো নতুনভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর আগেও হাসপাতালটিতে চিকিৎসা সেবা নিয়ে গাফিলতির ঘটনা ঘটেছিলো।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর