দুজনেরই নাম তামিম, আবার দুজনই বাঁহাতি। একজন বিশ্বমঞ্চে রাজত্ব করে চলেছেন, তো আরেকজন বিশ্বমঞ্চে রাজত্ব করার স্বপ্নে বিভোর। এক তামিমের সঙ্গে আরেক তামিমের বয়সের পার্থক্য ১১ বছর। বড় তামিমের জন্ম নব্বই দশকে তো ছোট তামিম একবিংশ শতাব্দীতে।
তামিম ইকবাল যুব বিশ্বকাপে খেলেছেন ২০০৬ সালে। সে সময় তাঁর কাঁধে ভর করেই যুব বিশ্বকাপে সেরা সাফল্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ। এর ১৪ বছর পর যুব বিশ্বকাপ জিতেছে বাংলাদেশ। সেই দলের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। এক তামিমের কাঁধ থেকে আরেক তামিমের কাঁধে সাফল্যের বড় চুড়ায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ।
সময় পেরিয়ে সিনিয়র তামিম এখন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। দেশের অন্যতম সেরা ওপেনার এবং নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান। অন্যদিকে বিশ্বকাপ জিতে আসা তরুণ তামিম নিজেকে তৈরি করতে ব্যস্ত বড় মঞ্চের জন্য। আর এই দুই যুগের ‘দুই তামিমের’ যে ক্রিকেট দেখা হচ্ছে শীঘ্রই।
শ্রীলঙ্কা সিরিজ স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তামিম-মুশফিকদের ৩টি প্রস্তুতি ম্যাচের আয়োজন করেছিল। দুটি দুই দিনের এবং একটি তিন দিনের। তবে তিন দিনের সেই প্রস্তুতি ম্যাচের বদলে এখন হবে তিন দলের ওয়ানডে সিরিজ।
যা শুরু হবে ১১ই অক্টোবর থেকে। মোট ৪৫জন ক্রিকেটার তিনটি দলে ভাগাভাগি হয়ে খেলবেন। আর এখানেই দেখা হতে যাচ্ছে দুই তামিমের। ছোট তামিম খেলবেন বড় তামিমের নেতৃত্বে। সুযোগ থাকলে করবেন এক সঙ্গে ওপেনিংও। ১৩ অক্টোবর নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে তামিম একাদশ।
কেএস/বার্তাবাজার