দেলোয়ার বাহিনীর একাধিক সদস্য পুলিশের সোর্স হিসাবে কাজ করতো

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ন্যাক্কারজনক ঘটনার মূল হোথা দেলোয়ারের নিজের নামে গড়ে তোলা বাহিনীর ২০ ক্যাডারের এখন কোনো খোঁজ নেই। প্রভাবশালীদের ছাত্রছায়ায় এমন কোনো অপরাধ কাজ নেই যে তারা করতো না। এলাকার মানুষের কাছে মূর্তিমান আতঙ্ক বনে গিয়েছিল তারা। এদের মাঝে অনেকেই ছিল পুলিশের প্রথাগত সোর্স। যার ফলে তাদের অপরাধ আরও বেড়ে যাছিল।

বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যরাও তাদের এইসব অপরাধ কাজে সহযোগীতা করতো বলে অভিযোগ আছে। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকা ছেড়েছে এমন মানুষও অনেক আছে। এছাড়াও তাদের এই অপকর্ম এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঘটনার ৩২ দিন হয়ে গেলেও ওই নির্যাতিতা নারী থানায় গিয়ে কোনো অভিযোগ করতে পারেনি। কারণ দেলোয়ার বাহিনীর ক্যাডাররা তাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছিল। বিষয়টি কেউ জানলে ওই নারীকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ পর্যন্ত এ গ্যাং চক্রের ২০ সদস্যের সন্ধান পেয়েছে। ঘটনার পর তারা লাপাত্তা। তাদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে চালানো হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান।

উল্লেখ্য, গত ২রা সেপ্টেম্বর রাতে বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়নের খালপাড় এলাকায় ওই নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার, বাদল, কালাম ও আবদুর রহিমসহ ৫ তরুণ। ঘটনার ৩২ দিন পর নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। পরে নির্যাতিতা নারী বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক ২টি মামলা করেন।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর