পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের একতলা পুরনো ভবনটির সংস্কার কাজ শেষ হতে না হতেই ছাদ চুয়ে পড়ছে পানি। প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই ভবনটি ব্যবহার উপযোগী করার উদ্যোগ নেয় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
কিন্তু কাজে অনিয়ম হওয়ায় ভবনটি সংস্কার কাজ শেষ হতে না হতেই আবারো ব্যবহারে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার যোগসাজস্যে ঠিকাদার কোন মতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর খসে পড়া পলেস্তারা ঢেকে রং করে কাজ শেষ করেছেন। প্রায় ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও ২ লাখ টাকারও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই অফিস করছেন ওই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

জানা যায়, হাড়িভাসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবনটি স্বাধীনতার পরে নির্মিত হয়। ভবনটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ২০১৭ সালের ২৬ নভেম্বর হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে ওই অফিসের এক কর্মচারীর টেবিলে।
সামনে রোগীও ছিলেন। এরপর ওই ভবনে অফিস করতে আপত্তি জানায় কর্মকর্তা কর্মচারীরা। কয়েকদিনের মধ্যে অফিসটি হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদে স্থানান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ওই ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন একটি ভবন নির্মাণের আবেদন করেন। কিন্তু বরাদ্দ আসে ভবনটি সংস্কারের।

কেএস/বার্তাবাজার