লালমনিরহাট সদর উপজেলায় বাড়িতে একা পেয়ে এক গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল (সোমবার) সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের মধুরাম গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় একই গ্রামের জগদীশ চন্দ্রের ছেলে চন্দন চন্দ্রকে আসামি করে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, ঘটনার দিন ওই নারীর স্বামী কাজের জন্য বাড়ির বাইরে থাকায় অভিযুক্ত চন্দন তার ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক পাশবিক নির্যাতন চালায়।
এ সময় বাধা দিলে চন্দন তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নখের আঁচড় ও খামচে রক্তাক্ত জখম এবং ব্যাপক মারধর করে। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে রাতে গৃহবধূর ননদ ঘরে ঢুকে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায় এবং আত্মীয়-স্বজনদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করেন।
ভুক্তভোগির স্বজনরা জানান, চন্দনের পরিবারের লোকজন ক্ষমতাশালী হওয়ার কারণে ধর্ষণের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। সোমবার অনেক রাত পর্যন্ত মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় ধর্ষক চন্দন ও তার পরিবারের লোকজন। পরে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দিলে থানা পুলিশ এসে ধর্ষিতা গৃহবধূকে পুলিশ হেফাজতে থানায় নিয়ে আসে এবং ভিকটিমের কাছ থেকে ঘটনা শুনেন। যার প্রেক্ষিতে আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহা আলম জানান, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিকে ধরারা চেষ্টা চলছে।
বার্তাবাজার/এসজে