ধর্ষণ বন্ধে সর্ব্বোচ্চ আইন চায় গ্রীন ভয়েস’র বহ্নিশিখা

কঠোর আইন কিংবা সর্ব্বোচ্চ.শাস্তি ছাড়া ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব না বলে জানিয়েছেন গ্রীন ভয়েসের উপদেষ্টা ও স্থপতি ইকবাল হাবিব। মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুর ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির আড়ংয়ের সামনে ধর্ষকদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদী মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন।

মানববন্ধনের আয়োজন করে পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস’র নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিটি বহ্নিশিখা। ইকবাল হাবিব বলেন, রাজনৈতিক দলের প্রশ্রয় পাওয়ার কারণে দেশে দানব তৈরি হয়েছে। এই দানবদের দমনে রাজনৈতিক দলগুলোকে উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি বলেন, কঠোর আইন প্রয়োগ ছাড়া ধর্ষণ বন্ধ করা যাবে না।জরুরি সংসদ অধিবেশন ডেকে আইন করে দ্রুত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এই সকল ধর্ষণকারীদের বিচার করতে হবে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরো বলেন, যতদিন এ ধর্ষণের বিচার না হবে ততদিন আমাদের পুরুষদের মাথা নত করে চলা উচিত যে দেশে নারী, শিশু ধর্ষণ হয় সে দেশের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গ্রীন ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা আলমগীর কবির বলেন, সারাদেশ আজ ধর্ষণে পরিণত হয়েছে। আমরা পরিবেশবাদী সংগঠন হলেও দেশে মা বোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজপথে থাকবো।

তিনি বলেন, দেশের অনেক উন্নয়নের কথা বলি আমরা এই উন্নয়ন চাই না, আমরা নিরাপত্তা চাই আমরা মানবিক উন্নয়ন চাই।

সংগঠনের পক্ষ থেকে শাস্তি দাবি তুলে ধরা হয় দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ধর্ষণের বিচার এর জন্য দ্রুত আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন করা, সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে যেকোনো ধর্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং গণধর্ষণের ক্ষেত্রে প্রকাশ্য ফাঁসি, ১৮ বছরের নিচে কোনো কিশোর/কিশোরী ধর্ষিত হলে তার পড়াশোনা, চিকিৎসাসহ সকল দায় ভার রাষ্ট্রকে নিতে হবে, ধর্ষণ মামলা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে এবং রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে, ধর্ষণকে জামিন অযোগ্য অপরাধ বলে ঘোষণা করতে হবে, আগামী তিন মাসের মধ্যে পূর্বে সংগঠিত সকল ধর্ষণ মামলার বিচারের কাজ নিষ্পত্তি করতে হবে এবং কোনো গণধর্ষণ মামলায় প্রশাসনের কারো স্বজনপ্রীতি গাফিলতি ধরা পড়লে অথবা টাকা নিয়ে নিষ্পত্তি করতে চাইলে কিংবা তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

কেএস/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর