গণধর্ষণ ও ধর্ষণের প্রতিবাদে দনি দিন আন্দােলন দানা বাঁধত শুরু করেছে বরিশালে। বেশ কয়েকদিন ধরে নগরীর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মিহউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়েকর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে, বরিশাল প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মানববন্ধন করে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল।
ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসিবে আজও (৬ অক্টোবর) মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচি শুরু করা হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে।
এতে একাত্মতা প্রকাশ করে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ জোট ও ব্লাস্ট বরিশাল ইউনিট, বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ, সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি। এছাড়া একই স্থানে সোমবার (৫ অক্টােবর) ধর্ষণ বিরোধী কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী যুব আন্দোলন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখা, ৭১’র চেতনা সংগঠনগুলো।

আজকের কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা ধর্ষিতাকে ফাঁসি দেওয়ার কথা বলে জানান, প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও ধর্ষনের ঘটনা ঘটছে। স্বাধীন বাংলাদেশে ধর্ষণ করে পাড় পেয়ে যাওয়া রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। ধর্ষকদের রক্ষা করতে আমরা পুলিশ বাহিনী ও রাজনীতিবিদদের শেল্টার দিতে দেখেছি। তার মানে রাষ্ট্রটি দিনদিন ধর্ষকদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন আর নিরাপদ নেই।
বক্তারা বলেন, ধর্ষকের ফাঁসি যেহেতু বাংলাদেশে হচ্ছে না তাহলে অকার্যকর রাষ্ট্রে বরং ধর্ষিতাকেই ফাঁসি দেওয়া হােক। বক্তারা আবেগ তাড়িত হয়ে উল্লেখ করেন, নারীদের জন্য এই দেশে জন্ম গ্রহণ করা দোষের কারন হয়ে গেছে।
আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, দ্রুততার সাথে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বিধান করতে হবে। ধর্ষণ প্রতিরোধে পুলিশ, রাজনীতিবিদদের লিয়াজো করলে চলবে না। সর্বোপরি ধর্ষনের বিচার করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।
কর্মসূচিতে সহস্রাধিক প্রতিবাদকারী অংশ নেন।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি